Monday , 17 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এশিয়া মহাদেশ
  12. কৃষি
  13. ক্যাম্পাস
  14. ক্রিকেট
  15. খেলাধুলা

জাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স তৈরির অভিযোগে চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

বিদেশগামী নাগরিকদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে সনদ তৈরি এবং নকল ওয়েবসাইট ও কিউআর কোড ব্যবহারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। যৌথ অভিযানে বাঁশখালী ও চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— মো. আশরাফ আলী খান (৩৬), মো. নিশান (৩৬), মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন (৪৮) ও মো. আবদুর রহমান (৪৬)। সোমবার (১৭ আগস্ট) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা (ডিএসবি) ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ অভিযানে রোববার দিবাগত রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বিদেশগামী এক ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে চক্রটির কার্যক্রমের তথ্য সামনে আসে। দ্রুত ও সহজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তারা ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেয়। এরপর সরকারি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর জাল করে প্রকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আদলে একটি ভুয়া সনদ তৈরি করা হয়। প্রতারণাকে বিশ্বাসযোগ্য করতে তৈরি করা হয় নকল কিউআর কোড এবং সরকারি ওয়েবসাইটের আদলে একটি ভুয়া ওয়েবসাইট।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জাল কিউআর কোড স্ক্যান করলে সরকারি ওয়েবসাইটের পরিবর্তে চক্রটির তৈরি নকল ওয়েবসাইটে তথ্য প্রদর্শিত হতো। এতে জাল সনদটি আসল বলে মনে হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। ভুক্তভোগী ওই সনদ ট্রাভেল এজেন্সিতে জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ে সেটি জাল হিসেবে ধরা পড়ে। পরে তিনি বিষয়টি জানিয়ে চট্টগ্রাম পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পর পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা তদন্ত শুরু করে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ, পারস্পরিক যোগাযোগ, অর্থ লেনদেন এবং প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত যাচাই করা হয়। তদন্তের ধারাবাহিকতায় চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল বলেন, সরকারি নথি জালিয়াতি, প্রযুক্তির অপব্যবহার এবং প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের অপরাধে আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণাই নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের সরকারি নথির বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দেশের ভাবমূর্তির জন্যও ঝুঁকি সৃষ্টি করে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

এপ্রিলে রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

ইউক্রেনে রুশ হামলায় শিশুসহ আহত ১৪

মহিপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১০ পিস ইয়াবাসহ আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের সাজা

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে ঝালকাঠিতে শোকের স্তব্ধতা, বন্ধ ছিল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

চরভদ্রাসন থানায় দালালমুক্ত পুলিশি সেবা: ওসিরজিউল্লাহ খানের ঘোষণা

মনসুর আলী মেডিকেলের নতুন নাম সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ

সরকারের ছয় মাসের অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরলেন মাহদী আমিন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শিবচরে বিএনপি নেতা বাশার সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গণসংযোগ ও র‍্যালি

ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নেতানিয়াহুর ‘পরিণতি অস্পষ্ট’

অবৈধ মাটি কাটা অব্যাহত, সড়কের বেহাল দশা