Tuesday , 18 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এশিয়া মহাদেশ
  12. কৃষি
  13. ক্যাম্পাস
  14. ক্রিকেট
  15. খেলাধুলা

সড়ক ডুবলেই বাড়ে দুর্ভোগ, অনিশ্চিত হয়ে পড়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলযাত্রা

বর্ষা মৌসুম এলেই পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ-পূর্ব গোলখালী গ্রামের শত শত শিক্ষার্থীর স্কুলে যাতায়াত হয়ে পড়ে দুর্বিষহ। একমাত্র সড়কটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছোট ডিঙি নৌকায় বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে।

গোলখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সাবেদ হোসেন তালুকদারের বাড়ির সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব গোলখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ-পূর্ব গোলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আশপাশের চারটি গ্রামের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয় দুটির যোগাযোগব্যবস্থা নাজুক। বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ-পূর্ব গোলখালী গ্রামের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়ক পানিতে তলিয়ে ও কাদায় ভরে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত, হাঁটুসমান কাদা ও জমে থাকা পানির কারণে পায়ে হেঁটে বা যানবাহনে চলাচল প্রায় অসম্ভব। এ অবস্থায় স্থানীয় অভিভাবকদের উদ্যোগে প্রতি বছর একটি ছোট ডিঙি নৌকার ব্যবস্থা করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের পারাপারের জন্য একজন মাঝি রাখা হয়। প্রতিদিন নৌকায় যাতায়াতের জন্য প্রতিটি শিক্ষার্থীকে প্রায় ২০ টাকা ভাড়া দিতে হয়। অনেক দরিদ্র পরিবারের জন্য এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ে। মাঝি অসুস্থ থাকলে বা ভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে অনেক শিক্ষার্থী সেদিন বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। কখনো বড় শ্রেণির শিক্ষার্থীরাই ঝুঁকি নিয়ে নৌকা চালিয়ে বিদ্যালয়ে যায়।

অভিভাবকদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ, নৌকায় চলাচলকারী অনেক কোমলমতি শিক্ষার্থী সাঁতার জানে না। তাদের জন্য কোনো লাইফ জ্যাকেট বা নিরাপত্তা সরঞ্জামের ব্যবস্থাও নেই। ফলে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে হয়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দীর্ঘদিন এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হারও বাড়তে পারে।

স্থানীয় অভিভাবক সুমন প্যাদা বলেন, আধুনিক যুগেও সন্তানদের নৌকায় করে স্কুলে পাঠাতে হচ্ছে। সন্তান নিরাপদে স্কুলে পৌঁছেছে কি না, আবার বাড়ি ফিরেছে কি না—এ দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। দক্ষিণ-পূর্ব গোলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিয়ান হোসেন, ইব্রাহিম, জসিম উদ্দিন ও আদিন হোসেন এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুমনা আক্তার দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়ে বলেন, বর্ষার সময় ছোট নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়।

দক্ষিণ-পূর্ব গোলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জলিল মিয়া জানান, বিদ্যালয়ের যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে একাধিকবার লিখিত আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. সোহেল রানা শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তিনি নতুন যোগদান করেছেন। সরেজমিনে পরিদর্শনের পর প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, বিষয়টি সরেজমিনে দেখে বাস্তব অবস্থা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা, হতে পারে অতি ভারী বর্ষণ

টানা ষষ্ঠবার শেরপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত নালিতাবাড়ী থানার ওসি সোহেল রানা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো পিএইচডির সুপারিশ পেলেন ১৩ শিক্ষার্থী

ঢাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু

কোরবানির পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তে বুথ বসানোর নির্দেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে শারদীয়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভক্তদের মাঝে শাড়ি ও ধূতি বিতরণ

মনোনয়ন দৌড়ে নতুন বার্তা শিবচরে নাভীলার শক্তিশালী শোডাউন

কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীতে কঠোর নিরাপত্তায় পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

নির্বাচন নিয়ে ভারতের কোনো পরামর্শ প্রত্যাশা করে না ঢাকা : তৌহিদ

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে পরিচিত করতে চাই : শিক্ষামন্ত্রী