Tuesday , 18 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এশিয়া মহাদেশ
  12. কৃষি
  13. ক্যাম্পাস
  14. ক্রিকেট
  15. খেলাধুলা

গাইবান্ধায় ধানের ন্যায্য মূল্য পেয়ে খুশি প্রান্তিক কৃষকরা

গাইবান্ধায় সরকারি খাদ্য গুদামে বাজারদরের চেয়ে বেশি দামে ধান বিক্রি করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন তারা।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ২৫ মে গাইবান্ধায় বোরো ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়। জেলার সাত উপজেলার ১১টি এলএসডি (লোকাল সাপ্লাই ডিপো) সরকারি খাদ্য গুদামে মোট ১৪ হাজার ৩৯৬ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে।

খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয় এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়। কৃষক অ্যাপের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকরা নিজেদের বা পরিবারের মোবাইল ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদন করেন। আবেদন শেষে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সর্বোচ্চ তিন টন করে ধান কেনা হয়। ধানের মূল্য সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে, ফলে হয়রানি ছাড়াই তারা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার কাজলডোপ এলাকার কৃষক শ্রী. নয়ন চন্দ্র বাসস’কে বলেন, কৃষক অ্যাপে আবেদন করার পর লটারিতে তার নাম আসে। এরপর কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে পেরেছেন। তিনি জানান, বাজারদরের তুলনায় প্রতি মণে প্রায় ৪০০ টাকা বেশি দাম পেয়েছেন। সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের ধানগড়া গ্রামের কৃষক মাজেদুল ইসলামও জানান, তিনি তিন টন ধান সরকারি গুদামে বিক্রি করে বাজারমূল্যের চেয়ে বেশি দাম পেয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও সরকার কৃষকদের পাশে থাকবে বলে আশা করছেন।

সাঘাটা উপজেলার শিমুলতাড়ই গ্রামের কৃষক হান্নান মিয়া বলেন, সরকারি খাদ্য গুদামে ধান দিয়ে একজন কৃষক হিসেবে ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট। পাশাপাশি গুদামে ধান জমা দেওয়ার পরিবেশও ভালো ছিল বলে উল্লেখ করেন।

গাইবান্ধা সদর এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস. এম. শাহিদ হাসান বলেন, অতীতে কৃষকরা সরকারি খাদ্য গুদামে ধান বিক্রিতে আগ্রহী ছিলেন না। তবে সরকার প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা নির্ধারণ করায় কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এবার প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নিত্যানন্দ কুন্ডু জানান, জেলার ১১টি এলএসডি গুদামে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকে মোট ১৪ হাজার ৩৯৬ মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে। কৃষকরা সরাসরি গুদামে এসে ধান দিয়েছেন এবং তাদের ব্যাংক হিসাবে মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরগুলোতেও কৃষকরা সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সরবরাহে সহযোগিতা করবেন।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

কমলনগরে চকলেট ও টাকার লোভ দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা

জৈন্তাপুরে টাস্কফোর্সের অভিযানে দুই জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘বাঁধন’ এর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

কুবিতে ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা ও সদস্য ফরম বিতরণ

চৌদ্দগ্রামে প্রাইভেটকার বোঝাই গাঁজাসহ চালক আটক

আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন দাবিতে চবিতে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন

কুড়িগ্রামে ভারতীয় কিটক্যাট চকলেট আটক, ছিনিয়ে নিলেন বিএনপি কর্মী

যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ মহড়া কমাতে ট্রাম্পের নির্দেশ

ফাইনালের জন্য ইয়ামাল শতভাগ ফিট