মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন তাঁর সাম্প্রতিক যোগাযোগের উদ্যোগে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার পরিসর কমানোর ঘোষণা দেওয়ার এক দিন পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, সোমবার ট্রাম্প বলেন, কিম জং উনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক পরিস্থিতিকে ‘আরও নিরাপদ’ করে তুলছে। প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে তিন দফা বৈঠক করেছিলেন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে কোনো মুখোমুখি বৈঠক হয়নি।
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর কিম কেন তাঁর যোগাযোগের অনুরোধে সাড়া দেননি? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি কীভাবে জানলেন যে তিনি সাড়া দেননি?’ পরে আবার প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, তিনি সাড়া দিয়েছেন।’
কিম জং উনের সঙ্গে যোগাযোগের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, বিষয়টি ‘খুবই ইতিবাচক’। তবে এ বিষয়ে তিনি আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।
উত্তর কোরিয়ার নেতার প্রশংসা করার পাশাপাশি ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ায় সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করায় সিউল সহযোগিতা করেনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখাই ওই যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য।
কিম জং উনের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, এই সম্পর্ক দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে সহায়ক হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘আমি আসলে পরিস্থিতিকে আরও নিরাপদ করে তুলছি। কিম জং উন সবসময় আমার প্রতি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়েছেন। আমি তাঁকে বুঝি, তিনিও আমাকে বোঝেন।’



















