Saturday , 9 May 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. আবহাওয়া
  8. ইউরোপ মহাদেশ
  9. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  10. এশিয়া মহাদেশ
  11. কৃষি
  12. ক্যাম্পাস
  13. ক্রিকেট
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম

বিপন্ন উদ্ভিদ সংরক্ষণে জাবিতে ‘অভয়ারণ্য’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

জাবি প্রতিনিধি:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মওলানা ভাসানী হলে বিপন্ন দেশীয় বৃক্ষ সংরক্ষণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘অভয়ারণ্য নেচার কনজারভেশন ফাউন্ডেশন’ (জাবি শাখা) ও হল ছাত্র সংসদ। যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিপন্ন বৃক্ষরোপণ উৎসব-২০২৬’-এ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা ৪০টি বিপন্ন প্রজাতির ৭১টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ মে) সকাল ১১টায় মওলানা ভাসানী হল প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। রোপণ করা গাছের মধ্যে ছিল কড়ই, ইয়ারনারা, ভূইকদম, লোহাকাঠ, বাজনা, চালমুগরা, হলুদ, আছড়া, উদাল, মহুয়া, কুসুম, অশোক, সিন্দুরি, গজমর, তমাল, তেলসুর ও চাপালিশসহ বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতি।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় উদ্ভিদ সংরক্ষণের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোপণ করা চারাগুলো ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি প্রাকৃতিক সংরক্ষণভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।

অনুষ্ঠানে ‘অভয়ারণ্য’ জাবি শাখার ফাউন্ডার কো-অর্ডিনেটর মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা এমন একটি ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শুধু ইটের দেয়াল নয়, বরং বিপন্ন গাছপালার একটি জীবন্ত সংগ্রহশালা গড়ে উঠবে।

মওলানা ভাসানী হল ছাত্র সংসদের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। হারিয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।

হলের ভিপি আব্দুল হাই স্বপন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় একটি জীবন্ত সংগ্রহশালা। পরিকল্পিত সংরক্ষণের অভাবে অনেক দেশীয় গাছপালা হারিয়ে যাচ্ছে। অভয়ারণ্য বিভিন্ন বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির গাছ সংগ্রহ করে হল প্রাঙ্গণে রোপণ করেছে, যা ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ উদ্ভিদ সংগ্রহশালা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

অভয়ারণ্য নেচার কনজারভেশন ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট শ্যামল কান্তি সরকার বলেন, বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় উদ্ভিদের মাতৃগাছ তৈরি করা আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। স্থানীয় বাস্তুসংস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশগত স্থিতিশীলতা রক্ষার চেষ্টা করছি।

আয়োজকরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় রোপণ করা এসব গাছ ভবিষ্যতে বড় বৃক্ষে পরিণত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ করবে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

জামিনে মুক্তি পেলেন মুরাদনগর বিএনপির ১৩ নেতাকর্মী

অ্যানথ্রাক্স রোগের প্রাদুর্ভাব ও বিস্তাররোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ টিকাদান

পটুয়াখালীর দুমকিতে বিএনপির র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

চৌদ্দগ্রামে ভারতীয় নাগরিক আটক

নড়াইলে শিবিরের নতুন কমিটি গঠন

পুঠিয়ায় খানাখন্দ আর ফুটপাত দখলে নাকাল মহাসড়ক, চরম ঝুঁকিতে জনজীবন

উৎসবমুখর পরিবেশে কুয়েট ক্লাব-২০২৫ ফেয়ার সম্পন্ন

মাইলস্টোনের হতাহতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে সরকার

থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের খোঁজখবর নিলেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম

পাথরঘাটায় উপজেলা পর্যায়ে সরকারী সেবাদানকারীদের সাথে ডায়লগ অনুষ্ঠিত