গাইবান্ধায় পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে হাবিবুর রহমান (৩৩) নামে এক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শহরের পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিনের সরকারি বাসভবনের ব্যারাক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হাবিবুর রহমান গাইবান্ধা পুলিশ লাইনে নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন।
গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম জানান, বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ সুপারের বাসভবনের গার্ড রুম সংলগ্ন টয়লেটের ভেতরে ছাদের একটি বাঁকানো লোহার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় হাবিবুরকে পাওয়া যায়। পুলিশ জানায়, ব্যারাকে থাকা অবস্থায় স্ত্রীকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাবিবুর টয়লেটে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় বের না হওয়ায় গার্ড রুমে থাকা অন্য সদস্যরা তাকে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজায় ধাক্কা দিলে পরে দরজা খুলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর তাকে উদ্ধার করা হয়।
নিহত হাবিবুর রহমান নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়ার মন্টু মিয়ার ছেলে। তার ৫-৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সুপার মো. জসীম উদ্দিন জানান, প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে পুলিশ লাইন থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য হাবিবুর রহমানকে তার বাসভবনে আনা হয়েছিল। ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা মনে হলেও তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়েছে।



















