Wednesday , 26 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

পরকীয়া কি মানসিক রোগ, কী বলছে বিজ্ঞান?

বর্তমানে পরকীয়ার ঘটনা আগের তুলনায় বেশি আলোচনায় আসছে। অনেকেই এটিকে মানসিক সমস্যা বলে মনে করলেও চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে পরকীয়া নিজে কোনো মানসিক রোগ নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মূলত একটি সম্পর্কগত ও সামাজিক আচরণ।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, দাম্পত্য বা সম্পর্কের বাইরে অন্য কারও সঙ্গে আবেগীয় কিংবা শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লেই কাউকে মানসিক রোগী বলা যায় না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আইসিডি-১১ অনুযায়ী, কোনো আচরণকে মানসিক রোগ হিসেবে চিহ্নিত করতে হলে তা ব্যক্তির মানসিক স্বাস্থ্যে গুরুতর প্রভাব ফেলতে হবে, আচরণ নিয়ন্ত্রণে অক্ষমতা থাকতে হবে অথবা দৈনন্দিন জীবন উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত হতে হবে। তাই শুধু পরকীয়ায় জড়ানোর ভিত্তিতে কাউকে মানসিক রোগী হিসেবে বিবেচনা করা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়।

তবে কিছু ক্ষেত্রে যৌন বা সম্পর্কগত আচরণ এতটাই পুনরাবৃত্তিমূলক ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে যে তা ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনে গুরুতর প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিকে আইসিডি-১১-এ কম্পালসিভ সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ডিসঅর্ডার (সিএসবিডি) নামে একটি মানসিক-আচরণগত সমস্যা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিএসবিডি এবং পরকীয়া এক বিষয় নয়। পরকীয়ার ঘটনা ঘটলেই কারও এই সমস্যায় ভুগছেন—এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরকীয়ার পেছনে একাধিক কারণ কাজ করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সমস্যা, আবেগীয় দূরত্ব, পারস্পরিক যোগাযোগের ঘাটতি, সম্পর্কের প্রতি অসন্তুষ্টি, নতুনত্বের প্রতি আকর্ষণ, ব্যক্তিগত মূল্যবোধ, সম্পর্কের বাইরে আবেগীয় ঘনিষ্ঠতা তৈরি হওয়া এবং কিছু ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণহীন যৌন আচরণ বা অন্য কোনো মানসিক সমস্যা। তবে কোনো একটি কারণকে সব ক্ষেত্রের জন্য দায়ী করা যায় না।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে মানসিক রোগ নির্ণয়ের জন্য নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়। তাই কারও ব্যক্তিগত সম্পর্কের সিদ্ধান্ত বা আচরণকে সরাসরি ‘মানসিক রোগ’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া যেমন সঠিক নয়, তেমনি প্রয়োজন হলে প্রকৃত মানসিক বা আচরণগত সমস্যার সম্ভাবনাও যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির যৌন বা সম্পর্কগত আচরণ বারবার ঘটে, তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয় এবং এর ফলে পড়াশোনা, কর্মজীবন, পারিবারিক সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনে গুরুতর সমস্যা সৃষ্টি হয়, তাহলে একজন যোগ্য মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আইসিডি-১১-ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্য পেশাজীবীর মাধ্যমে যথাযথ মূল্যায়ন ও রোগ নির্ণয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

সব মিলিয়ে, পরকীয়া নিজে কোনো মানসিক রোগ নয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে এর পেছনে মানসিক বা আচরণগত জটিলতা থাকতে পারে। তাই শুধুমাত্র পরকীয়ায় জড়ানোর কারণে কাউকে ‘মানসিক রোগী’ বলা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়; প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নই হতে পারে যথাযথ উপায়।

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

প্রথমবার সালমানের বিপরীতে নয়নতারা

খালেদা জিয়ার স্মরণে পূবাইলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দোয়া মাহফিল

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সম্পাদনায় আসছে ওসমান হাদিকে নিয়ে স্মৃতিস্মারক গ্রন্থ

বিলাইছড়ি’র ভোরের কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই

পারমাণবিক শক্তি শুধু শান্তির কাজে ব্যবহারের আহ্বান পোপের

ত্রিশালে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

পবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল, ওরিয়েন্টেশন ও দায়িত্ব হস্তান্তর

ডা. শফিকুর রহমান কোনো আলেম নন, বেহেশতের টিকিটের নামে ভণ্ডামি করছে জামায়াত : রফিকুল ইসলাম জামাল

মাদক সেবনের দায়ে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে কারাদণ্ড প্রদান