নওগাঁর মান্দায় মসজিদের ভেতরে প্রবীণ মুসল্লি মামুনুর রশিদ মামুনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান ও একমাত্র আসামি ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা তাকে মহাদেবপুর উপজেলার শিবগঞ্জ এলাকা থেকে আটক করা হয়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মহাদেবপুর উপজেলার শিবগঞ্জ বাজারের একটি নির্মাণাধীন সেতু এলাকা থেকে ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মান্দা উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের শামুকখোল গ্রামের মৃত ফারাতুল্লাহ শাহের ছেলে এবং নিহত মামুনুর রশিদের আপন শ্যালক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শনিবার (১৫ আগস্ট) ফজরের নামাজ চলাকালে শামুকখোল গ্রামের একটি মসজিদে ঢুকে ইসমাইল হোসেন হাঁসুয়া দিয়ে মামুনুর রশিদকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
হামলার পর ইসমাইল দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার সকালে নিহতের স্বজনেরা তার অবস্থান শনাক্ত করলে মান্দা থানা পুলিশ মহাদেবপুর থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী নেহেরা খাতুন বাদী হয়ে তার ভাই ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করেন। পরে মামুনুর রশিদের মৃত্যুর পর আদালতের অনুমোদনে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।
মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মহাদেবপুর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। হত্যা মামলার আসামি ইসমাইল হোসেনকে বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।



















