মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
হরিরামপুরে ইছামতি নদীর বুকে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোয় জনজীবনে দুর্ভোগ চৌদ্দগ্রামে ১০১ কোমলমতি শিক্ষার্থী পেল এনাম ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি শিবচরে ফেনসিডিল ও মদসহ মাদক কারবারি আটক কুবিতে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং ক্লাবের উদ্যোগে শুরু ‘ফিন ফেস্ট’ চৌদ্দগ্রামে অসহায়ের নতুন ঘর নির্মাণে ঢেউটিন হস্তান্তর টঙ্গীতে গার্মেন্টসে হঠাৎ খিঁচুনি উঠে অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক রাজাপুরে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত মো: রেজাউল করিম ত্রিশালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মহড়া বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে জাবি ছাত্রদলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ : প্লাস্টিকের বিনিময়ে চারাগাছ বানারীপাড়ায় ভূয়া লাইসেন্স দেখিয়ে ‘শাহারিন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’ এর অবৈধ লেনদেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘোড়াঘাটে পুলিশের টহল জোরদার পঞ্চম বারের মতো পিছিয়ে ২৫ ফেব্রুয়ারিতে ব্রাকসু নির্বাচন পূবাইলে প্রতিষ্ঠানে নেই ছাত্রছাত্রী, মিথ্যা তথ্য দিয়ে শিক্ষা অফিস থেকে বই উত্তোলনের অভিযোগ টঙ্গীতে সরকারী হাসপাতালের ডাস্টবিনে নবজাতকের লাশ পুঠিয়ায় খানাখন্দ আর ফুটপাত দখলে নাকাল মহাসড়ক, চরম ঝুঁকিতে জনজীবন কমলনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রের মৃত্যু ঈদগাঁওয়ে যানজট নিরসনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বান্দরবানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আংশিক কমিটি ঘোষণা কচুছড়ি মুখ থেকে দেড় লাখের কাছাকাছি মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মালামাল আটক দেশনেত্রীর অসমাপ্ত কাজ ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে শপথ নিতে হবে : ডা. জাহিদ

হরিরামপুরে ইছামতি নদীর বুকে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোয় জনজীবনে দুর্ভোগ

সবুজ দেওয়ান, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন ও বয়রা ইউনিয়নের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ইছামতি নদী, যা পিয়াজচর ও আন্ধারমানিক গ্রামকে বিভক্ত করেছে। দীর্ঘদিন ধরে এ দুই গ্রামের মানুষের চলাচলের জন্য কোনো পাকা সেতু নির্মিত হয়নি।

ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে ব্যবহার করছেন একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো , যা যেকোনো সময় ভেঙে পড়ে বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

এই বাঁশের সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন শত শত মানুষ পারাপার হন। বিশেষ করে পিয়াজচর গ্রামের বাসিন্দারা বাজার, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, উপজেলা ও থানা অফিসে যেতে বাধ্য হন ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো ব্যবহার করেই। অনেক সময় বৃদ্ধ ও শিশুরা পারাপারের সময় পড়ে গিয়ে আহত হন। বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও চরমে পৌঁছায়, কারণ তখন সাঁকোটিও প্রায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৫৬ মিটার দৈর্ঘের বাঁশের সাঁকো বর্তমানে অনেকটা নাজেহাল অবস্থায় রয়েছে। সাঁকোর বাঁশগুলো নড়বড়ে অবস্থায় পরিণত হয়েছে আবার কোথাও কোথাও বাঁশগুলো এমনভাবে ভেঙে গিয়েছে যা মানুষজন চলাচলের জন্য অনুপযোগী।

এই দীর্ঘ সাঁকো দিয়ে শিশুসহ বৃদ্ধদের পারাপার হওয়া কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বহুবার একটি স্থায়ী সেতুর দাবিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

পিয়াজচর গ্রামের বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “বছরের পর বছর ধরে আমরা কষ্ট করছি। স্কুলগামী শিশুদের জন্য এটি সবচেয়ে ভয়ংকর। একটু অসতর্ক হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।”

মায়া আক্তার নামের একজন কলেজ শিক্ষার্থী জানান,কয়েকদিন আগে কলেজে যাওয়ার সময় সাঁকো পার হতে গিয়ে পা পিচলে পরে যায়। এরপর স্থানীয় লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

এছারাও তিনি আরও বলেন, শিশুরা একা একা সাঁকো পার হতে না পারায় ভোগান্তিতে পরতে হয় মা-বাবাকে।স্কুলে যাওয়ার সময় সাঁকো পার করে দেওয়া, আবার স্কুল থেকে ফেরার সময় সাঁকো পার করার কাজ করে দিতে হয় মা- বাবাকে।

এ বিষয়ে হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণ করা হোক, যাতে পিয়াজচর ও আন্ধারমানিক গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয় এবং তারা নিরাপদে চলাচল করতে পারেন। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে কি না, তা এখন দেখার বিষয়।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩