Sunday , 23 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

জাজিরায় পদ্মার ভাঙন, নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত মানুষ

শরীয়তপুরের জাজিরায় পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে নতুন করে ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে সাতটি দোকান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং কাথুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ৫০০ পরিবার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ষার পানিতে উত্তাল পদ্মার তীব্র স্রোত জাজিরা উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের কাথুরিয়া, মোহন ফকিরের কান্দি ও মধু ব্যাপারীকান্দি এলাকায় নদীতীরে আঘাত হানছে। একের পর এক তীরের অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় অর্ধশতাধিক মানুষ ইতোমধ্যে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়েছেন। ভাঙনপ্রবণ হিসেবে নদীতীরের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা চিহ্নিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হলেও পদ্মার প্রবল স্রোতের কাছে তা কার্যকর হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এদিকে পালেরচর থেকে মাঝিরঘাট পর্যন্ত ইটের সড়কের বড় একটি অংশ নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। নদীতীরের বৈদ্যুতিক খুঁটি ও সংযোগ সরিয়ে নিতে কাজ করছেন পল্লী বিদ্যুতের কর্মীরা।

ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্তদের একজন ৮২ বছর বয়সী মালেক ঘরামী। তার ২৮ শতাংশ জমির মধ্যে ২৪ শতাংশ ইতোমধ্যে পদ্মায় বিলীন হয়েছে। এখন শেষ সম্বল বসতঘরটিও সরিয়ে নিতে হচ্ছে তাকে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘কোথায় যাব, তার কোনো ঠিকানা নেই। এখানে আর থাকা সম্ভব নয়। তাই ঘর খুলে অন্যত্র যাওয়ার চেষ্টা করছি।’ একই পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন মধু ব্যাপারীকান্দির সোলেম শরীফ। সন্তানদের নিয়ে গড়ে তোলা নিজের ঘরটি ভেঙে অন্যত্র সরিয়ে নিতে হচ্ছে তাকে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, জাজিরায় পদ্মার ডান তীর রক্ষায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ দশমিক ৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি প্রকল্পের কাজ চলছে। ৩৯টি প্যাকেজের এ প্রকল্পের প্রায় ৫৩ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। তবে বর্ষা মৌসুমে পদ্মার প্রধান স্রোত জাজিরা অংশে আঘাত হানায় নতুন করে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এম এ শামীম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে ভাঙনের ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চলায় ভাঙনের ক্ষয়ক্ষতি বেড়েছে। পালেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন ফরাজীও একই অভিযোগ করেন। এদিকে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। তাঁদের খাদ্যসামগ্রী, ঢেউটিন ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রকল্পের কাজ ধীরগতিতে চলার অভিযোগের বিষয়ে পাউবোর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। স্থানীয়দের দাবি, আরও বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দ্রুত নদীতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ শেষ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

কোম্পানীগঞ্জে হযরত শাহ আরফিন (রহ.) দারুচ্ছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার ৯ম বার্ষিক ইসলামী সুন্নী মহাসম্মেলন সম্পন্ন

চবির চলমান পরিস্থিতি নিয়ে চাকসু–ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি

কক্সবাজারে ১৯৩৮ আইফোনসহ গ্রেপ্তার ৬ চীনা নাগরিক, তদন্তে নানা প্রশ্ন

ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

পুলিশ পরিচয়ে ভ্যান নিয়ে উধাও, একমাত্র আয়ের পথ হারিয়ে পথে বৃদ্ধ দম্পতি

কুড়িগ্রামে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় লজিক প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মানারাত কলেজে দুই দিনব্যাপী স্টেম ফেস্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত

আজও ধরা ছোয়ার বাহিরে পত্নীতলার অঘোষিত রাজা বক্কর চেয়ারম্যান

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ‘জুলাই কর্নার’ উদ্বোধন

তেল সংকটে ঘুরছে না মোটরসাইকেলের চাকা, বন্ধের পথে জীবন-জীবিকা