Saturday , 22 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

শক্তিশালী অবস্থানে থেকেই যুদ্ধ শেষ করার সময় এসেছে : ইরানি প্রেসিডেন্ট

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত অবসানের জন্য এখনই উপযুক্ত সময়। তাঁর দাবি, সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে বর্তমানে তেহরান শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

শুক্রবার চিকিৎসকদের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, দীর্ঘদিনের সংঘাতের পর ইরান এখন শক্তি ও মর্যাদার অবস্থানে রয়েছে। তাই এই সময়ে যুদ্ধের অবসান হওয়াই শ্রেয়। তিনি আরও দাবি করেন, বিশ্ব সম্প্রদায় ইরানের অবস্থানকে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র স্কুল, হাসপাতাল ও অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, জুন মাসে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক কোনোভাবেই তেহরানের আত্মসমর্পণের প্রতীক নয়। তাঁর ভাষায়, চুক্তির কোথাও আত্মসমর্পণের শর্ত নেই; বরং এতে থাকা প্রতিশ্রুতিগুলোর দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই বর্তায়। এর আগে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিও কিছু ভিন্নমত থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতির এ চুক্তির অনুমোদন দিয়েছিলেন।

এদিকে, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে ইরানের কট্টরপন্থী আইনপ্রণেতারা সরকারের সমালোচনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, এ ইস্যুতে সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতি স্বীকার করেছে। অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী প্রণালীর দক্ষিণ অংশ দিয়ে গোপনে ট্যাঙ্কার চলাচলে নিরাপত্তা দিচ্ছে, যার মাধ্যমে প্রতিদিন ৫ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রপ্তানি হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছে। এর জবাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়াশিংটনের পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একই সময়ে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, নতুন নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানি শাসনব্যবস্থার ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হবে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মন্তব্য করেন, কথিত ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংকট থেকে দৃষ্টি সরানোর কৌশল।

অন্যদিকে, চীনও ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার নীতির সমালোচনা করেছে। শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সংকট নিরসনের আহ্বান জানান। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র হিজবুল্লাহর ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে সংগঠনটি এক বিবৃতিতে জানায়, এসব পদক্ষেপ তাদের অবস্থান বা কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত