বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে চলতি মাসেই প্রায় ২০০টি নতুন যাত্রীবাহী কোচ যুক্ত হতে যাচ্ছে। এর প্রেক্ষিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঢাকা-পাবনা এবং ঢাকা-খুলনা রুটে দুটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, নতুন এই ট্রেনগুলো চালু হলে পশ্চিমাঞ্চলের যাত্রীদের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে এবং যাতায়াত সহজ হবে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কয়েকটি নতুন রেলপথ চালু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০১৮ সালে যমুনা সেতু-পাবনা লাইন, ২০২২ সালে ঢাকা-পদ্মা সেতু রুট এবং ২০২৪ সালে খুলনা-মোংলা রুট। তবে কোচের ঘাটতি থাকায় এই রুটগুলোতে পর্যাপ্ত ট্রেন সার্ভিস চালু করা সম্ভব হয়নি।
রেলওয়ের বহরে নতুন কোচ যুক্ত হওয়ার পর রেলপথ মন্ত্রণালয় ঢাকা-পাবনা এবং ঢাকা-খুলনা রুটে আন্তঃনগর ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা করছে। এছাড়া, ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে একটি কমিউটার ট্রেন চালু এবং ঢাকা-খুলনা ট্রেন সার্ভিসটি মোংলা পর্যন্ত সম্প্রসারণের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ফরিদ আহমেদ জানান, প্রাথমিকভাবে ঢাকা-পাবনা এবং ঢাকা-খুলনা রুটে দুটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর জন্য একটি প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে।
এদিকে, রাজশাহী ও যশোর অঞ্চলের যাত্রীরা স্থগিত থাকা লোকাল ট্রেন সার্ভিসগুলো অবিলম্বে পুনরায় চালু এবং পাঁচটি বিদ্যমান ট্রেনের পুরোনো কোচগুলো প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান ভিটু এবং ‘রাজশাহী রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর সাধারণ সম্পাদক জামাত খান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে স্থগিত থাকা ট্রেন সার্ভিসগুলো চালু এবং বন্ধ থাকা রেলওয়ে স্টেশনগুলো দ্রুততম সময়ে খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।
জনবল সংকটের কথা স্বীকার করে ফরিদ আহমেদ বলেন, নতুন নিয়োগ এবং চুক্তিভিত্তিক স্টেশন মাস্টার নিয়োগের মাধ্যমে বন্ধ থাকা স্টেশনগুলো পর্যায়ক্রমে খুলে দেওয়া এবং স্থগিত ট্রেন সার্ভিসগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সুত্রঃ বাসস



















