ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের পর ম্যাকাই টেস্টে ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় ইনিংস ও ৫১ রানের বড় ব্যবধানে হেরে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে টাইগাররা।
ম্যাচের দ্বিতীয় দিনেই বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস ভেঙে পড়ে। বিশেষ করে দ্বিতীয় সেশনে মাত্র ৩১ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে বড় বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলাম দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। টানা তিন ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এক রেকর্ডে নাম লেখান লিটন দাস। বিরতির সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেটে ৯৫ রান। শেষ পর্যন্ত অলআউট হওয়ার আগে ইনিংস পরাজয় এড়াতে পারেনি দল।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মিচেল স্টার্ক। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও আরও ৫ উইকেট শিকার করে ম্যাচে মোট ১০ উইকেট নেন তিনি। অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ও স্পিনার নাথান লায়নও বল হাতে কার্যকর ভূমিকা রাখেন। বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন মুশফিকুর রহিম, তবে তা পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।
এর আগে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনের শুরুতে অস্ট্রেলিয়াকে ২১০ রানে অলআউট করে। ফলে ১৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে সফরকারীরা। বাংলাদেশের হয়ে শরিফুল ইসলাম একাই ৭ উইকেট নিয়ে টেস্টে বাংলাদেশি পেসারদের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড গড়েন।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন ক্যামেরন গ্রিন। এছাড়া নাথান লায়ন অপরাজিত ৩২ রান করে দলের লিড বাড়াতে সহায়তা করেন। তবে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই মিচেল স্টার্কের আঘাতে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক দ্রুত ফিরলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি স্বাগতিকদের হাতে চলে যায়। ডারউইনের ঐতিহাসিক জয়ের পর সিরিজ জয়ের আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায় সিরিজ শেষ করতে হয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তের দলকে।



















