Monday , 24 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

হত্যাকাণ্ডের তদন্তে আলোচনায় আসামির পরনের শার্ট

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে এক অভিযুক্তের পরনের শার্ট। একই ধরনের একটি শার্ট মরদেহ উদ্ধারের দিন রংপুর মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তার গায়েও দেখা যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

কালবেলার রংপুর ব্যুরো চিফও জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধারের দিন রংপুর মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তার পরনে একই ধরনের শার্ট ছিল। এ বিষয়ে ওই কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, একই ধরনের শার্ট একাধিক ব্যক্তি পরতে পারেন। এদিকে, স্থানীয় বিভিন্ন ফেসবুক পেজের লাইভ ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে একই ধরনের শার্ট পরে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে দেখা যায়। তার মুখে মাস্ক ছিল এবং তিনিই ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন হিসেবে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের বাড়িও মাছুয়াপাড়ায়। পুলিশের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পর তারা ভবনটিতে বসে ইয়াবা সেবন করেন। আটক দুজনের একজন অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে পাশের রেশম উন্নয়ন বোর্ডের তুতবাগানে লুকিয়ে পড়েন। পরে দখীগঞ্জ শ্মশান এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ এক মাদক কারবারির কাছ থেকে ইয়াবা কিনে গণপতি চক্রবর্তীর বাসার পাশেই সীমান্ত নামের এক ব্যক্তির বাসায় তা সেবন করেন। পরে রাতের শেষ দিকে তারা দেবু নামের এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে যান। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে গণপতি চক্রবর্তী খালি গায়ে ও গলায় গামছা নিয়ে ছাদে ওঠেন বলে অভিযুক্তরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।

তবে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তোলেন, ইয়াবা সেবনের জন্য অভিযুক্তরা কেন নির্মাণাধীন ভবনের ফাঁকা জায়গা ও ছাদ ব্যবহার না করে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে গেলেন। জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, এত অল্প সময়ে মামলার তদন্তে যে অগ্রগতি হয়েছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট। পাশাপাশি তিনি পুলিশের ভালো কাজের প্রশংসা এবং ভুলত্রুটির সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার ওপর আস্থা রাখা যেতে পারে।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের কাছে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন চ্যাটার্জি জানান, আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।

এদিকে, নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী রোববার কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি এবং নিহতদের পরিবারের স্বজনদের বক্তব্যের সঙ্গে তদন্তের কিছু বিষয়ে এখনো প্রশ্ন রয়ে গেছে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

কাঠালিয়ায় বিএনপির আলোচনা ও নির্বাচনী প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

‎ভূরুঙ্গামারীতে শতবর্ষী বটগাছ উপড়ে প্রধান সড়ক বন্ধ, দুর্ভোগে ১০ হাজার মানুষ

আট বছর ধরে শিকলে বন্দী সাথী, চিকিৎসার অভাবে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ

দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

পরকীয়া প্রেমে ভারতীয় যুবকের রংপুরে ভ্রমণ শেষে প্রত্যাবর্তন

চৌদ্দগ্রামে ১০১ কোমলমতি শিক্ষার্থী পেল এনাম ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি

ইউক্রেনের হামলার কারণে জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করলেন পুতিন

ওমানের শ্রমবাজারে ১০ হাজার বাংলাদেশির নতুন সুযোগ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

কর্ণফুলী নদীতে মাছ ধরার ট্রলারে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ২ নাবিকের মৃত্যু