Monday , 17 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

ক্ষতিকর অনলাইন কনটেন্ট থেকে শিশুকে সুরক্ষার উপায়

মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সহজলভ্যতার কারণে বর্তমান প্রজন্মের অনেক শিশু অল্প বয়সেই বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কনটেন্টের সংস্পর্শে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বর্তমানে অনেক শিশু বাবা-মায়ের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে, আবার অনেকের জন্য আলাদা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টও তৈরি করা হচ্ছে। ফলে বয়স ও মানসিক পরিপক্বতার বিষয়টি বিবেচনায় না রেখেই তারা শিক্ষামূলক ও ইতিবাচক কনটেন্টের পাশাপাশি সহিংসতা, অশালীনতা, আত্মক্ষতির প্ররোচনা, সাইবার বুলিং, শরীর ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে ক্ষতিকর ধারণাসহ বিভিন্ন বয়স-অনুপযোগী কনটেন্টের মুখোমুখি হচ্ছে। এসব কনটেন্ট শিশুদের চিন্তা, আচরণ ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই এটিকে সম্ভাবনাময় আয়ের উৎস হিসেবে দেখছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফেসবুক রিলস, ইউটিউব শর্টস ও মনিটাইজেশন নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের ব্যক্তিগত জীবন, আচরণ, পোশাক বা ব্যক্তিগত মুহূর্তকে বাণিজ্যিক কনটেন্টের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শিশুদের অধিকার, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

ইউনিসেফ শিশুদের কেবল ডিজিটাল কনটেন্টের ভোক্তা বা বাণিজ্যিক উপকরণ হিসেবে নয়, বরং অধিকারধারী হিসেবে বিবেচনা করে তাদের নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন নীতিমালা গ্রহণ করছে। অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ডেনমার্কও কম বয়সীদের জন্য সীমাবদ্ধতা আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যসহ আরও কয়েকটি দেশে বয়স যাচাই, সময়সীমা নির্ধারণ এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।

গবেষণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সঙ্গে শিশুদের সাইবার বুলিং, ক্ষতিকর কনটেন্টের সংস্পর্শ, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ঝুঁকির সম্পর্ক উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, শিশু কোনো ক্ষতিকর কনটেন্ট দেখলে অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে তার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। পাশাপাশি বয়সভিত্তিক ডিজিটাল সীমানা নির্ধারণ, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ও নিরাপদ প্রাইভেসি সেটিংস ব্যবহার, ক্ষতিকর কনটেন্ট রিপোর্ট বা ব্লক করার পদ্ধতি শেখানো এবং বই পড়া, খেলাধুলা ও অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে শিশুদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা সব ক্ষেত্রে সমাধান নয়। বরং বয়স, পরিপক্বতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপদ ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তোলাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এ জন্য অভিভাবকের সচেতনতা, সন্তানের সঙ্গে বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিশুদের শৈশব কেড়ে না নিয়ে তাদের শিক্ষা, সৃজনশীলতা ও বিকাশের নিরাপদ সহযাত্রী হয়ে উঠতে পারে।

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানদের বিক্ষোভ, সেনাদের প্রতি সমর্থন

প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে রক্তাক্ত পরিণতি, নিহত ১

টাঙ্গাইলে এসএসসি ৯৬ ব্যাচের ৩০ বছর পূর্তি ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

জনগণের পরামর্শেই মুরাদনগর পরিচালিত হবে : কায়কোবাদ

জাতিসংঘে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন আজ

বন বিভাগের অভিযানে ১৪০ কেজি অবৈধ কাঁকড়াসহ আটক ৩

বিলাইছড়ি’র ভোরের কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা

নবীনগর নিউ মডেল প্রেস ক্লাবে মতবিনিময় করলেন গণ অধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী- নজু