Thursday , 30 July 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

শিশুর মানসিক বিকাশের প্রতি নজর দিতে হবে

মায়ের গর্ভে আসার পর থেকেই ক্রমান্বয়ে সন্তানের বিকাশ শুরু হয়, যেটা হয়ত বাইরে থেকে দেখা যায় না। তবে, একজন মা ঠিকই সেটা অনুধাবন করতে পারেন। জন্ম গ্রহণের পর শিশুর বিকাশ সবার চোখে পড়ে। অর্থাৎ শিশুর বিকাশ একটা চলমান প্রক্রিয়া। বিকাশের স্তর অনুযায়ী শিশু একটা বয়সে একেকটা কাজ করবে। তা ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, তা নিয়মিত নজর রাখা উচিত। তবে সব শিশুর বিকাশ একই গতিতে হবে বিষয়টা এমন নয়, একটু এদিক-সেদিক হতে পারে।

প্রায় সব মা-বাবাই সাধারণত নজর দেন শিশু কবে হামাগুড়ি দিল, কখন হাঁটতে পারলো, কখন কথা বলতে শুরু করলো- এ সবের ওপর। এগুলো নিশ্চয় শিশুর বিকাশ, তবে শারীরিক বিকাশ।

মায়ের গর্ভ থেকে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত প্রারম্ভিক বিকাশ শেষে শৈশব, এরপর কৈশোর বয়:সন্ধিকাল পেরিয়ে সে হয়ে ওঠে পরিপূর্ণ মানুষ। এর প্রতিটি পর্যায়ে শারীরিক পরিবর্তনের পাশাপাশি মানসিক পরিবর্তনও ঘটে। এভাবে ক্রমান্বয়ে দক্ষ হয়ে ওঠাকেই শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ বলা হয়।

শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশের জন্য প্রয়োজন গর্ভকালীন মায়ের যতœ, মায়ের পুষ্টি ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা। জন্মের পর প্রথম ছয়মাস মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করা, এরপরে মায়ের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য পুষ্টিকর সুষম খাবার দেওয়া। যেসব শিশুর ঘন ঘন অসুখ হয়, পুষ্টি কম পায় তাদের সমবয়সের অন্য বাচ্চাদের তুলনায় বিকাশ ধীরে হতে পারে।

অন্যদিকে, মানসিক বিকাশ সুস্থ-স্বাভাবিক করার জন্য মা-বাবাসহ চারপাশের মানুষের আচরণ আর শিশুর পারিপাশির্^ক পরিবেশ সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকতে হবে। অস্বাভাবিক পরিবেশ মানসিকভাবে সুস্থ শিশু উপহার দিতে পারে না। আর ইতিবাচক মানসিক বিকাশ অর্থবহ করে তুলতে হবে ছোটোবেলা থেকেই। নিয়মিত ব্যায়াম, শারীরিক খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক উভয়কে ত্বরান্বিত করে। শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে বিলম্ব হচ্ছে কিনা, সেটা বোঝার কিছু লক্ষণ আছে। যেগুলো খেয়াল করলেই একটি শিশুর বিকাশের বিষয়টি বোঝা যাবে।

প্রথম মাসে : শিশুর মাথা একদিকে ফিরিয়ে চিত হয়ে শোয়া। হঠাৎ আওয়াজে চমকে যায় বা শরীর স্থির হয়ে যায়। হাতের মুঠো বন্ধ করে থাকে। বাচ্চার হাতের তালুতে কিছু ছোঁয়ালে সেটা ধরার চেষ্টা করে।

২-৩ মাসে : নিজের মাথা স্থির করতে শিখে। চোখের দৃষ্টি কোনো জিনিসের ওপর স্থির করতে পারে। চিত হয়ে শুয়ে বাচ্চা দুই হাত-পা সমানভাবে নাড়ে। তার নড়াচড়া ঝাঁকুনি দিয়ে বা অসংবদ্ধ হয় না। কান্নার আওয়াজ ছাড়াও বাচ্চা মুখ দিয়ে নানারকম আওয়াজ করে। শিশুটি তার মাকে চিনতে পারে এবং তার গলার আওয়াজে সাড়া দেয়।

৬ মাসে : আশোপাশে শব্দ শুনলে মাথা ঘোরায়। চিত থেকে উপুড় বা উপুড় থেকে চিত হতে পারে। ঠোকা দিয়ে অল্প সময়ের জন্য বসতে পারে। শিশুকে উঁচু করে ধরলে পায়ে কিছু ভার নিতে পারে। উপুড় হয়ে শুয়ে হাত-পা ছড়িয়ে নিজের শরীরের ভার নিতে পারে।

৯ মাসে : কোনো অবলম্বন বা ঠেক ছাড়া কিছু না ধরে বসতে পারে। হাঁটু ও হাতের ওপর ভর করে হামাগুড়ি দিতে পারে।

১২ মাসে : বাচ্চা ঠেঁলে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মা, মা বলতে শুরু করে। আসবাপপত্র ধরে বাচ্চা হাঁটতে পারে।

১৮ মাসে : কোন প্রকার সাহায্য ছাড়াই একটা গ্লাস ধরতে পারে এবং তা থেকে পানি পান করতে পারে। সাহায্য ছাড়াই হাঁটতে পারে। দু’একটি শব্দ বলতে পারে। নিজে নিজে খেতে পারে।

২ বছরে : পায়জামা ধরনের কিছু জামাকাপড় খুলে ফেলতে পারে। পড়ে না গিয়েই দৌঁড়াতে পারে। ছবির বইয়ের ছবি দেখে বাচ্চা আনন্দিত হয়। কী চায় বাচ্চা তা বলতে পারে। অন্যদের কথা বাচ্চা নকল করতে শুরু করে। নিজের শরীরের কিছু কিছু অংশ বাচ্চা চেনাতে পারে।

৩ বছরে : হাত তুলে কাঁধের ওপর থেকে বল ছুঁড়তে পারে, সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে- যেমন তুমি ছেলে না মেয়ে? অন্তত একটা রঙের নাম বলতে পারে।

৪ বছরে : সাইকেল প্যাডেল করতে পারে, বইয়ে, পত্রিকায় বা ম্যাগাজিনের ছবির নাম বলতে পারে।

৫ বছরে : বাচ্চা তার জামাকাপড়ের বোতাম লাগাতে পারে, অন্তত তিনটি রঙের নাম বলতে পারে। পা বদল করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে পারে।

বিকাশের স্তরগুলোর মধ্যে কয়েকটি যদি শিশুর মধ্যে প্রকাশ না পায়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাধারণভাবে এই দক্ষতাগুলোর মধ্যে ২৫ শতাংশ প্রকাশ না পেলে বা দেখা না গেলে শিশুর বিকাশে বিলম্ব হচ্ছে বলা যায়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ(ঢামেক) হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা.মোা.আব্দুল কাদের বলেন,‘একটা শিশু মাতৃগর্ভে আসার পর থেকেই তার বিকাশ শুরু হয়। তবে শিশুটি জন্মের পরই সেটা মানুষের চোখে পড়ে। জন্মের পর থেকেই শিশুর বিকাশের প্রতি মা-বাবাকে নজর দিতে হবে। শিশু বিকাশে যেন কোনোভাবেই ত্রুটি না থাকে সবার আগে সে দিকে নজর দিতে হবে। মানে রাখতে হবে একটি সুস্থ স্বাভাবিক শিশুই জাতির ভবিষ্যৎ।’

সূত্র :বাসস

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

নওগাঁয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

ভারতের লিগে খেলে নিষিদ্ধ হওয়ায় অবসরের ঘোষণা প্যাটেলের

মহানবী (সা.) ও ইসলাম নিয়ে কটূক্তি মন্তব্যের অভিযোগ, যুবক ৫ দিনের রিমান্ডে

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার গণতন্ত্রায়ণ প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ

নারী দিবসে কুবির নারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভাবনা

জুলাই শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

কক্সবাজারে ৯২ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক

জাতীয় নির্বাচনে জোটগত ভাবে বিএনপির প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন ছিল : কাজী নাহিদ

নাসিরনগরে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ওসমান হাদীর সুস্থতা কামনায় জাবি ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল