সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলায় দীর্ঘ সাড়ে ১৩ বছর কারাগারে থাকা নিরাপত্তাপ্রহরী এনামুলের জামিন ও মুক্তির দাবি জানিয়েছে নিহতদের পরিবার। টাস্কফোর্সের তদন্তে হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পরিবার।
সাগর-রুনির পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ না থাকায় এনামুলকে নিরপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার কারণে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় নৃশংসভাবে খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ছিলেন। রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। শুরুতে মামলাটির তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। পরে চার দিন পর তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬২ দিনের মাথায় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হাইকোর্টে ব্যর্থতা স্বীকার করে ডিবি। এরপর আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তভার র্যাবের কাছে যায়। র্যাবের তদন্তকালে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় ১১২ বার পিছিয়েছে।
পরবর্তীতে এ মামলার তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চার সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করে। টাস্কফোর্সকে ছয় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।



















