স্পেনের কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তে বলেছেন, রোববারের বিশ্বকাপ ফাইনালে ১-০ গোলে হারের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণে তিনি বিস্মিত ও মর্মাহত। ম্যাচ শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে, যার জেরে ফিফা ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।
ফেরান তোরেস অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে জয়সূচক গোল করে স্পেনকে তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা উপহার দেন।
শেষ বাঁশি বাজার পর আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে স্পেনের কয়েকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়াতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে ছিলেন ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া ও মিডফিল্ডার গাভি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে মাঠে নেমে দুই পক্ষের খেলোয়াড়দের আলাদা করে পরিস্থিতি শান্ত করতে হয়।
ঘটনার তদন্তে ফিফা একজন শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বিষয়ক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে। তদন্তে নির্ধারণ করা হবে, ম্যাচ-পরবর্তী এই বিশৃঙ্খলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে কি না।
ডি লা ফুয়েন্তে বলেন, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের এই আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বৃহস্পতিবার স্পেনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম টিভিই’কে তিনি বলেন, “এমন মানের খেলোয়াড়দের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ আমার কাছে অসহনীয় ও অগ্রহণযোগ্য। অথচ ম্যাচের আগের দিনগুলোতে আমি তাদের এবং তাদের অসাধারণ কোচের প্রশংসাই করেছি। এ ধরনের আগ্রাসন ও উসকানির মুখেও আমাদের খেলোয়াড়দের আচরণ আমি বিশেষভাবে তুলে ধরতে চাই। তারা সব সময় সংযম বজায় রেখেছে এবং প্রকৃত পেশাদারের মতো আচরণ করেছে।”
ফাইনালের পর ঘটে যাওয়া ওই সংঘর্ষে নিজের ভূমিকার জন্য বুধবার আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা ক্ষমা চেয়েছেন।
২০২৪ সালে স্পেনকে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জেতানো ডি লা ফুয়েন্তে বলেন, ২০৩০ সালে নিজ দেশ আয়োজিত বিশ্বকাপে স্পেন জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা যেকোনো কোচের জন্য সর্বোচ্চ গর্বের বিষয় হবে।



















