Wednesday , 22 July 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. আবহাওয়া
  8. ইউরোপ মহাদেশ
  9. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  10. এশিয়া মহাদেশ
  11. কৃষি
  12. ক্যাম্পাস
  13. ক্রিকেট
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম

স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা গঙ্গাচড়াবাসীর

প্রতিবেদক
বাসস
July 22, 2026 9:10 am

তিস্তার পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় গংগাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত দুটি বেড়িবাঁধে আকস্মিক ভাঙনে গ্রামে পানি ঢুকে গেছে । এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। হুমকিতে পড়েছে প্রায় শতাধিক পরিবারের বসতভিটা, আবাদি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

এ পরিস্থিতিতে বেড়িবাঁধের ভাঙন রোধে স্থায়ী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা। তাদের মতে, জিও ব্যাগ দিয়ে সাময়িক ও সাধারণ ভাঙন ঠেকানো গেলেও প্রবল স্রোতে ভাঙনের মুখে এগুলো তেমন কাজ করে না। তাই ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান জরুরি।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের নোহালী গ্রামের সামনে আবাদি জমি, রাস্তাঘাট ও বসত ভিটা বাঁচাতে মূল বাঁধের ভিতরে স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে দুটি শাখা বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত শাখা বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা যায়। ইতোমধ্যে বেড়িবাঁধের দেড়শো মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি ঢুকে গেছে গ্রামে। ফসলি জমি এখন পানির নিচে। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি। সবকিছু পানিতে ডুবে গেছে। এই ভাঙন শুরু হওয়ায় চিন্তিত তিস্তাপারের মানুষ। সেই সাথে পানিবন্দি পরিবারগুলো শিশু, বৃদ্ধ ও গবাদি পশুপাখি নিয়ে পড়েছে বিপাকে।

অনেকেই বাড়িঘর নিয়ে ঠাঁই নিচ্ছেন অন্যের বাড়িতে। এছাড়াও চর বাঘধোগরা, চরকাচারী, চিলাখাল, বিনবিনিয়া, মুকুটপাড়া, প্রাইমারি স্কুল, মাধ্যমিক স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির ও রাস্তাঘাট হুমকির মুখে।

গঙ্গাচড়ার বাসিন্দা মোনায়েম হোসেন বাসসকে বলেন, নদী অঞ্চলের কারণে প্রতিবছর শত শত মানুষ ঘরছাড়া হচ্ছে। বছরের পর বছর শুধু প্রতিশ্রুতি। কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। ইতোমধ্যে শাখা বেড়িবাঁধ দেড়শো মিটার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন যদি মূল বাঁধও বিলীন হয় কিংবা মূল বাঁধ ভেঙে পানি ঢোকে, তাহলে হাজার হাজার মানুষ ভিটে ছাড়া হবে।

তিনি বলেন, বাঁধ রক্ষায় দুই হাজার, চার হাজার বস্তা জিও ব্যাগ দিয়ে কাজ হবে না। মিনার বাজার থেকে দেড় কিলোমিটার বাঁধ জিও বস্তা ফেলে নয়, প্রকল্পের মাধ্যমে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ জরুরি। এসময় তিনি শাখা বেড়িবাঁধ স্থায়ীভাবে নির্মাণেরও দাবি জানান।

ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, চোখের সামনে গ্রামের অনেক বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আমাদের ঘরবাড়িও যে কোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে। এই বসতভিটা বিলীন হলে আমার আর কোনো জমি থাকবে না। বসতভিটায় তিনটা ঘর আছে। এই তিনটা ঘর রক্ষার জন্য অনেকের কাছে জায়গা চেয়েছি, কেউ দিচ্ছে না। কোনো কিছু উপায় না পেলে সবশেষ নদীতে ভাসিয়ে দিয়ে বউ বাচ্চা নিয়ে ঢাকা গিয়ে রিকশা চালিয়ে খেতে হবে।

ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মমিনুল ইসলাম বলেন, তিস্তার ভাঙনে, বাড়ি ঘর, ভিটে মাটি, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল ঘর বিলীন হয়ে গেছে। আমরা এখন নিঃস্ব। তাই আমরা রিলিফ টিলিফ কিছু চাই না। আমরা স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণ চাই।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বাসসকে বলেন, বাঁধের ভাঙন রোধে ইতোমধ্যে সাড়ে ৪ হাজার জিও ব্যাগ বরাদ্দ করা হয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে। ভাঙন রোধে আরো লাগলে আরো বরাদ্দ দেওয়া হবে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।

গংগাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. জেসমিন আক্তার বলেন, বেড়িবাঁধ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। একই সাথে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

দুমকিতে সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি শফিক খান গ্রেফতার

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম কেন্দ্রীয় মন্দির উদ্বোধন

পুঠিয়ায় বেশি দামে ডিজেল বিক্রি, দোকানিকে জরিমানা

ঈদগাঁও ও ঈদগড়ের পুলিশের যৌথ অভিযানে ২ ডাকাত আটক

ইসরায়েলকে ‘বেদনাদায়ক’ জবাব দিল ইরান

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ‘জুলাই কর্নার’ উদ্বোধন

ডাকসু নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, শিবিরকে নিয়ে যা বললেন নাছির

কালীগঞ্জে শহীদ আসলাম হোসেনের শাহাদাত দিবসে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

বানেশ্বর ফিলিং স্টেশনে তেলের জন্য বাইকারদের উপচে পড়া ভিড়, মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট