Tuesday , 23 June 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এশিয়া মহাদেশ
  12. কৃষি
  13. ক্যাম্পাস
  14. ক্রিকেট
  15. খেলাধুলা

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফি’ পুরস্কার পেলেন সুপ্তক

প্রতিবেদক
নিউজ ডেক্স
June 23, 2026 6:48 am

আবু তাহের, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

এশিয়া মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ সাংহাই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের এশিয়ান নিউ ট্যালেন্ট কম্পিটিশন বিভাগে ‘দ্য ব্লাইন্ড গার্ল অ্যান্ড অ্যান এলিফ্যান্ট (সাঁকোটা দুলছে)’ চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের জন্য ‘বেস্ট সিনেমাটোগ্রাফি’ পুরস্কার পেয়েছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সামিউল করিম সুপ্তক।

শনিবার রাতে ‘সাঁকোটা দুলছে’ সাদাকালো সিনেমাটি তাঁকে এই পুরস্কার এনে দেয়। উৎসবে চিত্রগ্রাহকের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন নির্মাতা ইশতিয়াক আহমেদ জিহাদ। সুপ্তক ও জিহাদ দুজনেই জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

জিহাদ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নিয়েছে। ১২ থেকে ২১ জুন ২০২৬ পর্যন্ত চীনের সাংহাই শহরে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়।

চলচ্চিত্রটির গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন ইশতিয়াক আহমেদ জিহাদ। প্রযোজনা করেছেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও অভিনেতা মনোজ কুমার প্রামাণিক। এটি বাংলাদেশের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ম্যানপাচিত্রা এবং জার্মানির মোগাদর ফিল্মের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত বাংলাদেশ-জার্মানি কো-প্রোডাকশন।

শনিবার রাতেই হোয়াটসঅ্যাপে খবরটি জানতে পারেন চিত্রগ্রাহক সামিউল করিম সুপ্তক। খবরটি শোনার সময় তিনি অন্য একটি শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে সামিউল করিম সুপ্তক বলেন, ‘আমার একদমই এক্সপেক্টেশন ছিল না। যখন পেয়েছি, তখন বিশ্বাস করতে পারিনি। ভেবেছি এটা সত্যিই কিনা। এই প্রজেক্টের কয়েকজন যখন বিষয়টি জানায়, তখন মনে হয়েছে যে হ্যাঁ, হয়তো সত্যিই হয়েছে। তখন আরেকটি শুটিংয়ে থাকায় উদযাপনও করতে পারিনি। সত্যি বলতে, এটা আমার প্রথম টেকনিক্যাল অনার ও অ্যাচিভমেন্ট।’

কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা শুটিং শুরু করি চার বছর আগে, ২০২২ সালের দিকে। বিভিন্ন স্লটে কাজ করতে করতে ২০২৩ সালের দিকে কাজ শেষ হয়। আমরা যে লোকেশনে শুটিং করতে গেছি, সেখানকার মানুষ শুটিং সম্পর্কে তেমন জানত না। আমাদের পর্যাপ্ত ইকুইপমেন্টও ছিল না। ঢাকার বাইরে হওয়ায় সবকিছু ম্যানেজ করাও কঠিন হয়েছে। তবে সেখানে সবার সঙ্গে একটা স্ট্রং বন্ডিং তৈরি হয়েছে।’

মূলত গ্রামীণ বাংলাদেশের তিন নারীর জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। যেখনে গল্পে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, কুসংস্কার, পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা ও সামাজিক নিপীড়নের বেড়াজাল থেকে মুক্তির স্বপ্ন দেখা এসব নারীর সংগ্রামের গল্প। সম্পূর্ণ সাদা-কালোতে নির্মিত চলচ্চিত্রটি নারীর জীবন, বিশ্বাস, সামাজিক নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার প্রশ্নকে গ্রামীণ বাংলাদেশের বাস্তবতার আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছে।

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিয়ের লোভ দেখিয়ে খালাতো বোনের সঙ্গে সম্পর্ক, পূবাইলে যুবক গ্রেপ্তার

গাইবান্ধায় বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

প্রতারকচক্র থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ

৯ বছর পর জমির দখলে প্রকৃত মালিক

ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

গবেষণা উন্নয়নে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ঐতিহাসিক চুক্তি

ত্রিশালে দুই মাসব্যাপী ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণের উদ্বোধন

জাকসুকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের প্রতিবাদে একদল সচেতন শিক্ষার্থীর স্মারকলিপি

পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

টেকসই শিল্প ও প্লাস্টিকের বিকল্প পণ্য উৎপাদনের যাত্রা শুরু