Tuesday , 18 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

রাজশাহীতে পাটের বাম্পার ফলন, বিক্রি থেকে ৫৪৯ কোটি টাকা আয়ের সম্ভাবনা

অনুকূল আবহাওয়া, কৃষকদের নিবিড় পরিচর্যা এবং বাজারে ভালো দামের কারণে চলতি মৌসুমে রাজশাহীতে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদিত পাট বিক্রি করে জেলায় প্রায় ৫৪৯ কোটি টাকা আয় হতে পারে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও স্থানীয় সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলার ৯টি উপজেলাতেই কমবেশি পাটের আবাদ হয়েছে। এবার ১৮ হাজার ৩৯৯ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে, যেখানে ৪৯ হাজার মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত বছর (২০২৫ সালে) ১৭ হাজার ৩০৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছিল এবং উৎপাদন হয়েছিল ৪৮ হাজার ৬৭৭ মেট্রিক টন। ফলে গত বছরের তুলনায় আবাদ, উৎপাদন এবং সম্ভাব্য আয়—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির আভাস মিলছে।

বর্তমানে জেলার প্রায় ৮২ শতাংশ জমির পাট কাটা শেষ হয়েছে। কৃষি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত কাটা জমি থেকে ৪৮ হাজার ২০০ মেট্রিক টন পাট উৎপাদিত হয়েছে। বাকি ১৮ শতাংশ জমির পাট কাটা শেষ হলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাও অতিক্রম করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

চলতি মৌসুমে স্থানীয় বাজারে প্রতি মণ (৪০ কেজি) পাট ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাম্প্রতিক বছরের তুলনায় সন্তোষজনক। এই দরে উৎপাদিত পাট বিক্রি করে প্রায় ৫৪৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা, অর্থাৎ প্রায় ৫৪৯ কোটি টাকা আয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম এলাকার পাটচাষি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গত বছর দাম কম থাকায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা ছিল। তবে এবার ফলনের পাশাপাশি বাজারদরও ভালো হওয়ায় উৎপাদন খরচ মিটিয়ে লাভ করা যাচ্ছে। অন্যদিকে মোহনপুর উপজেলার কৃষক আব্দুল মতিন জানান, মৌসুমের শুরুতে বৃষ্টির অভাবে কিছুটা সমস্যা হলেও পরে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাট উৎপাদনে সুবিধা হয়েছে। বর্তমান বাজারদরে পরিবারের ব্যয় মিটিয়ে কিছু অর্থ সঞ্চয়েরও সুযোগ তৈরি হয়েছে।

রাজশাহীতে উৎপাদিত পাট স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব পাট প্রক্রিয়াজাত করে বিভিন্ন পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করা হচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি সহায়তা, উন্নত বীজ ও সারের সহজলভ্যতা এবং বর্তমান বাজারদর বজায় থাকলে আগামীতে এ অঞ্চলে পাটের আবাদ আরও বাড়বে।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মিতা সরকার বাসসকে বলেন, জেলায় এবার ১৮ হাজার ৩৯৯ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। বর্তমানে প্রতি মণ পাট ৪ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে চলতি মৌসুমে পাট বিক্রি করে প্রায় ৫৪৯ কোটি টাকা আয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উৎপাদিত পাট স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিভিন্ন পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হচ্ছে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

চামড়ার বর্জ্য থেকে প্রোটিন ফিলার, জেলাটিন ও কোলাজেন উৎপাদনের উদ্যোগ

জ্বালানি সংকট নয়, অতিরিক্ত মজুদ প্রবণতাই চ্যালেঞ্জ: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী

ভুরুঙ্গামারী ভেটেরিনারি হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক

প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক

কালকিনিতে সার্বিক পরিবহনের ধাক্কায় যুবক নিহত

ঠাকুরগাঁওয়ের বুড়ির বাঁধে মাছ ধরার উৎসবে শিকারিদের হতাশা

ববির অনশনরত আরো দুই শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন

কুমিল্লা-১১ আসনে সবচেয়ে কম ৯৮ ভোট পেয়েছেন আলমগীর

উত্তরার মাইলস্টোন ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত প্রশিক্ষণ বিমান

বাংলাদেশের অনুশীলন ক্যাম্প পরিদর্শন বিসিবি সভাপতির