Wednesday , 23 September 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

ইরানকে ‘ধূলিসাৎ’ করার হুমকির মাঝেই নতুন আলোচনার আভাস দিলেন ট্রাম্প

দীর্ঘ কয়েক মাসের অচলাবস্থার পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি এবং কঠোর পদক্ষেপ—দুই বিকল্পই বিবেচনায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

এএফপির বরাতে জানা গেছে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি, ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার বৈঠকে অংশ নেন। ভাষণ শেষে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, প্রায় তিন ঘণ্টার এ বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে এবং শিগগিরই পরবর্তী বৈঠকের সময়ও নির্ধারণ করা হয়েছে। পরে আরব নেতাদের সঙ্গে বৈঠকেও তিনি বলেন, দুই পক্ষই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আন্তরিক।

জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প ইরানকে ঘিরে কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে এমন একটি চুক্তি হতে পারে, যা দেশটিকে নতুনভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে তিনি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন। তবে তার বক্তব্যের সময় ইরানের প্রতিনিধি দলের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ত্যাগ করেন।

ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে মার্কিন পক্ষের কাছে কয়েকটি শর্ত তুলে ধরেছে তেহরান। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, ইরানের অবরুদ্ধ অর্থ ফেরত দেওয়া এবং প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা। এদিকে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগিয়েছে এবং এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।

ইরান ইস্যুর পাশাপাশি ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ মানুষের ধারণার চেয়েও দ্রুত শেষ হতে পারে এবং এ লক্ষ্যে তিনি উভয় পক্ষের সঙ্গে কাজ করছেন। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়, যুদ্ধ বন্ধে এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। জেলেনস্কি বলেন, মস্কো যদি ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করে, তাহলে ইউক্রেনও রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা বন্ধ করতে প্রস্তুত।

এদিকে জাতিসংঘ সফরের সময় ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের সঙ্গে একটি নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষরের কথাও জানান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ চুক্তির আওতায় দক্ষিণ ও পূর্ব গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র দুটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করবে এবং ন্যাটোর বাইরে কোনো দেশ সেখানে সামরিক উপস্থিতি গড়ে তুলতে পারবে না। ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন, এ চুক্তির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার নতুন ভিত্তি তৈরি হবে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত