Monday , 21 September 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

‘সৎ লোকের শাসনের কথা বলে জামায়াত, এটা তার নমুনা’: পিপি

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
September 21, 2026 11:59 am

দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ আদেশ দেওয়া হয়।

সোমবার বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এহসানুল ইসলামের আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামসুদ্দোহা সরকার আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত গাজী নজরুল ইসলামের চার দিন এবং মাকছুদা ইসলামের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড শুনানিতে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, ‘ওনারা জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত বলে, সৎ লোকের শাসন। এটা তার সেই নমুনা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আসামি নজরুল বাদীর শ্যালককে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কবজায় নেয়। এরপর নজরুল মরহুমা মরিয়মকে হোটেলে নিয়ে যায় এবং যে অসামাজিক কার্যকলাপ করে তা পুরো জাতি দেখেছে।’ পিপি আরও দাবি করেন, মরিয়মের মৃত্যুর পর উদ্ধার হওয়া সুইসাইড নোটে তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কথা উল্লেখ রয়েছে। এসব বিবেচনায় তিনি সর্বোচ্চ রিমান্ডের আবেদন জানান।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করেন। তবে শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে দুপুর ২টা ২২ মিনিটে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে আসামিদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানায় আনা হয়।

এদিন শেরেবাংলা নগর থানায় মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত জুনে মরিয়মের সঙ্গে জিএম নজরুল ইসলামের ইসলামী শরিয়া অনুযায়ী বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে নজরুল ও মাকছুদা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন এবং তিনি বিষয়টি বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন।

এজাহার অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল ইসলাম মরিয়মের বাবাকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। পরে তিনি নিহতের খালা সুফিয়াকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে গিয়ে দেখেন কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ এবং জানালা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মরিয়ম ঝুলছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে গণপূর্ত বিভাগের (পিডব্লিউডি) কর্মী সাইদুল ইসলাম দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিঠি উদ্ধার করা হয়, যেখানে বিশ্বাসভঙ্গ, মানসিক কষ্ট ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা উল্লেখ রয়েছে।

পরিবারের দাবি, গাড়িচালক ওবায়দুর রহমানের প্ররোচনায় এই বিয়ে হয়েছিল এবং নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের ধারাবাহিক নির্যাতন ও আসামিদের প্ররোচনার কারণেই মরিয়ম আত্মহত্যা করেছেন। পরে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত