Wednesday , 22 April 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. ইউরোপ মহাদেশ
  8. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  9. এশিয়া মহাদেশ
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. জাতীয়

ঘন ঘন লোডশেডিং, অতিষ্ঠ মধ্যনগরের জনজীবন

প্রতিবেদক
নিউজ ডেক্স
April 22, 2026 5:19 am

জয়নাল আবেদীন জহিরুল, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিন-রাতের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে ডুবে যায় বেশিরভাগ এলাকা।

স্থানীয়রা জানান, দিন-রাতে মিলিয়ে ৮–১০ ঘণ্টা টানা বিদ্যুৎ না থাকার ঘটনা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনো বিদ্যুৎ এলেও তা ৩০–৪০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। ফলে ঘরোয়া কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য—সবখানেই বিরূপ প্রভাব পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, বিশেষ করে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীরা।

উপজেলার উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের কালাগড় গ্রামের বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, আগে বিদ্যুতের সেবা মোটামুটি ভালো ছিল। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। কয়েক দিন ধরে টানা বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাস্তবে দিনে ১৪–১৫ ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ থাকে না।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাজিব আহমদ জানায়, ২১ এপ্রিল থেকে আমাদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। কিন্তু গত দুই মাস ধরে বিদ্যুতের সমস্যা এতটাই বেশি যে সন্ধ্যার পর পড়াশোনা করা সম্ভব হচ্ছে না। রাতে অন্তত এক-দুই ঘণ্টা টানা বিদ্যুৎ থাকলেও কিছুটা প্রস্তুতি নিতে পারতাম।

একই ধরনের অভিযোগ করেন বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, আমি নিজেও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক। গত এক মাস ধরে দিনের বেলায় তো বিদ্যুৎ থাকেই না, সন্ধ্যার পরও ক্ষণিকের জন্য এসে আবার চলে যায়। শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ লাইনে বা ট্রান্সফরমারে সমস্যা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয় না। অভিযোগ কেন্দ্রে যোগাযোগ করেও তাৎক্ষণিক সাড়া পাওয়া যায় না। ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হয়। এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নয়ন ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ধর্মপাশা সাব-জোনাল অফিসের এজিএম (ওএন্ডএম) মো. হাফিজুর রহমান জানান, শুধু মধ্যনগর নয়, পুরো অঞ্চলে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বর্তমানে গড়ে ৪০–৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে, ফলে ৫৫–৬০ শতাংশ সময় লোডশেডিং চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় দ্রুত সেবা দেওয়া সম্ভব হয় না, যার ফলে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত