ঢাকার মিরপুরের কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা (ডিওসি) উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। একই সঙ্গে খামারের ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, অনুপযোগী শেড সংস্কার ও জনবল সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে কেন্দ্রীয় মুরগি খামারের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা শেষে এসব নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু খামারের বিভিন্ন শেড, হ্যাচারি, ফিড কারখানা ও অন্যান্য কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা উৎপাদন, বাচ্চা ও ডিম বিক্রি এবং মুরগির খাবার উৎপাদনসহ সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তথ্য নেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, খামারের উন্নয়নে নেওয়া প্রকল্পগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার পাশাপাশি উৎপাদন বাড়াতে হবে। এখান থেকে উৎপাদিত মুরগির বাচ্চা প্রান্তিক খামারিরা সংগ্রহ করে লালন-পালন করেন। তাই বাচ্চার উৎপাদন বাড়লে প্রান্তিক খামারিরাও লাভবান হবেন এবং দেশের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা উৎপাদন বাড়ানো গেলে বাজারে বাচ্চার সংকট ও অস্থিতিশীলতা কমাতে সহায়তা করবে। এজন্য উৎপাদন ও প্রান্তিক খামারিদের মধ্যে সরবরাহ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।
পরিদর্শনের সময় কয়েকটি মুরগি ও বাচ্চা পালনের শেড অনুপযোগী হয়ে পড়ায় সেগুলো দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ দেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। পাশাপাশি জনবল সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। এ সময় কর্মচারীদের উপস্থিতি ও সময়ানুবর্তিতাও তদারকি করেন প্রতিমন্ত্রী এবং খামারের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
পরিদর্শনকালে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, কেন্দ্রীয় মুরগি খামারের পরিচালক জিনাত সুলতানা, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম, সহকারী পরিচালক (গোট ফার্মস) ডা. কবির উদ্দিন আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


















