তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থকে অভিনন্দন জানিয়ে ভোলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা। নতুন দায়িত্বে তিনি জেলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ভোলা-1 আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ। এরপর শুক্রবার রাত থেকে শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত জেলা সদর ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)-এর নেতাকর্মী এবং স্থানীয়রা আনন্দ মিছিল, উল্লাস ও মিষ্টি বিতরণ করেন।
ভোলাবাসীর প্রত্যাশা, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জেলার গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পেও তিনি ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন প্রতিরোধ, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার কার্যকর ভূমিকা থাকবে বলে আশা করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ভোলা জেলা শাখার সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন বলেন, আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ায় দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মেতাছিম বিল্লাহও এ অর্জনকে দলের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
আন্দালিভ রহমান পার্থকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম নয়ন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব মো. রাইসুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে তার মা রেবা রহমান ভোলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জুর জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ নতুন দায়িত্বে ভোলার মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন।
ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ পারিবারিকভাবেই রাজনীতিতে আসেন। ২০০৮ সালে বাবা মরহুম নাজিউর রহমান মঞ্জুর মৃত্যুর পর বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)-এর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। পরে ভোলা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদে বক্তব্য, বিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা এবং জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে অবস্থানের কারণে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো ভোলা-১ আসন থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর এবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।



















