Thursday , 6 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

শৈলকুপায় গড়াই নদীর ভাঙন আতঙ্কে ৫ গ্রামের মানুষ

ঝিনাইদহ জেলায় চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে গড়াই নদীর শৈলকুপা অংশে দেখা দিয়েছে ভাঙন। গত কয়েক বছরে উপজেলার সারুটিয়া ও ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের প্রায় ৫টি গ্রামের কয়েকশ’ বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। অনেকেই ছেড়েছেন বাড়িঘর। চলতি বর্ষা মৌসুমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির প্রভাবে প্রমত্তা গড়াইয়ের শৈলকুপা অংশের দক্ষিণ পাড়ে নতুন তিনটি পয়েন্টে ভাঙন শুরু হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সারুটিয়া ইউনিয়নের বুরুড়িয়া গ্রামের কয়েকশ’ বিঘা ফসলি জমি গড়াই নদীরে ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন গেছে। ভাঙন রোধে বুরুড়িয়া গ্রামের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে ফেলা হয়েছে জিও ব্যাগ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (ওয়াপদা) এসব জিও ব্যাগ ফেলার দায়িত্ব পালন করছে। নদী পাড়ের বাসিন্দারা অনেকেই বসত ভিটা ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন অন্য এলাকায়।

এদিকে নদীর তীরবর্তী মাজদিয়া, উলুবাড়িয়া,বন্দেখালী ও কাশিনাথপুর ঘাট এলাকায় নতুন করে গড়াই নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গড়াই নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে তীব্র স্রোত শুরু হয়েছে। স্রোতের তোড়ে উলুবাড়িয়া গ্রামের নদী ঘেঁষা কয়েকটি পয়েন্টে এরইমধ্যে প্রায় শতাধিক বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ফসলি জমি হারিয়ে স্থানীয়রা এখন বসতভিটা হারানোর শঙ্কায় দিন পার করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হাফিজুর রহমান বাসস’কে বলেন, আমাদের এলাকার নদী পাড়ের সব ফসিল জমি নদীতে চলে যাচ্ছে। অনেক বছর ধরে এই ভাঙন চলছে। আগে সরকার কোনো পদক্ষেপ নিলে এরকম ভাঙন হতো না। এখন নতুন সরকার এসেছে। আমরা দাবি জানাচ্ছি, যেন দ্রুত ভাঙন রোধে সরকার পদক্ষেপ নেয়।

আলম খান নামে অপর এক কৃষক বলেন, আমাদের বসতি ভিটা ছাড়া আর কোনো জমি অবশিষ্ট নেই। সব গড়াই নদী গিলে খেয়েছে। এখন যদি বসত ভিটাও নদীতে চলে যায়, তাহলে আমরা যাবো কোথায়?

উলুবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহিন আলম জানান, গত ১০ বছরে গড়াই নদীর ভাঙন এতোটা বেড়েছে, যে বুরুলিয়া ও উলুবাড়িয়া গ্রামের মৌজার অনেক জমি এখন নদীর বিপরীত পাড়ে চলে গেছে। নদী আগে যেখানে ছিল, তার থেকে ভাঙতে ভাঙতে প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে সরে চলে চলে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম হোসনে বাসস’কে বলেন, উলুবাড়িয়া গ্রামের নদী পাড়ের অনেক বাসিন্দা ভাঙন আতঙ্কে বাড়ি ঘর ফেলে অন্য এলাকায় চলে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে কয়েকটি জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হলেও ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না। দিন রাত আমাদের আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (ওয়াপদা) তথ্য, শৈলকূপা উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের বরুড়িয়া, ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের উলুবাড়িয়া, মাজদিয়া, বন্দেখালী ও কাশিনাথপুর ঘাট এলাকায় অন্তত সাড়ে ৫ কিলোমিটার নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সাড়ে ৫ কিলোমিটার নদীপাড়ের ৫টি পয়েন্টে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। এসব পয়েন্টে কয়েক বছর ধরেই জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। ভাঙনের তোড়ে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে অন্তত ৬শ’ একর ফসলি জমি।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড (ওয়াপদা) ঝিনাইদ এর প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস বাসস’কে বলেন, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গড়াই নদীতে ভাঙন চলে আসছে। শৈলকূপার কয়েকটি গ্রামের মৌজাভুক্ত জমি এরই মধ্যে নদীর গর্ভে চলে গেছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে এমনটি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভাঙন রোধে একটি স্থায়ী প্রকল্প প্রণয়ন ও এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (ফিজিবিলিটি স্টাডি) কাজ শুরুর অনুমোদন পেয়েছি। সম্ভাব্যতা যাচাইও শেষ পর্যায়ে। আশা করছি, আগামী শীত মৌসুমে আমরা ভাঙন কবলিত এলাকায় স্থায়ী বা টেকসই ব্লকের বাঁধ বসানোর কাজ শুরু করতে পারব।

সূত্রঃ বাসস

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

ময়মনসিংহে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত আসামি টাইগার সবুজ র‌্যাবের জালে

নতুন ঠিকানায় পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয় স্থানান্তর

বৃষ্টির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে আমন ক্ষেত, দুশ্চিন্তায় কৃষক

মিঠা পানির মাছ উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে রাজশাহী বিভাগ

ফাঁকা আসন পূরণে কুবিতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

উপকূল-চরাঞ্চলে চিকিৎসা দেবে ‘স্বাস্থ্য তরী’

তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজাপুরে বিএনপির আনন্দ মিছিল

মধ্যরাতে মির্জা ফখরুলের আবেগঘন পোস্ট, মন্তব্য করলেন সারজিস আলম

মেসির বিদায়ী ম্যাচে পাশে থাকছেন ডি মারিয়া

চৌদ্দগ্রামে কনকনে শীতের রাতে ইউএনও’র কম্বল বিতরণ, খুশি শীতার্ত অসহায় শ্রমজীবীরা