গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীতে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে আরও ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের ধানকোড়া গ্রামের বাসিন্দা ইমদাদুল হক গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে কাশিয়ানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তিনি ধানকোড়া গ্রামের হাজী কায়েম উদ্দিন ফকিরের পুত্র এবং রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।
মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান আজ সকালে বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ১৪ জুলাই (মঙ্গলবার) বিকেলে উপজেলার তিলছড়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে তারা। এতে জনমনে আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ সময় মামলার বাদী এমদাদুল হক মোটরসাইকেলযোগে সঙ্গী নিয়ে সেখানে পৌঁছালে আসামিরা তাদের ওপর চড়াও হয়। তাদের মারধর করে এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে কাশিয়ানী থানায় ১২০ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।
সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের নামে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ, যানবাহন চলাচলে বাধা, বিএনপি নেতাদের মারধর এবং মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। ১৮ জন আসামিকে গ্রেফতার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’



















