শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
চৌদ্দগ্রামে পৌরসভা এলাকায় অবৈধ স্থাপনা যানজট প্রতিরোধে উচ্ছেদ অভিযান খালেদা জিয়ার স্মরণে পূবাইলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দোয়া মাহফিল বাউফলে ট্রাকচাপায় অটোরিকশা চালক নিহত, আহত ২ দিনাজপুর-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর নির্বাচনী মাঠে বাড়ছে তৎপরতা ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত প্রবাসী শুকুরের পাশে ‘বন্ধুত্ব মানবসেবা ফাউন্ডেশন’ মোংলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত নওগাঁয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ ত্রিশালে পিকাআপ সহ গরু চোর চক্র আটক আমতলীতে কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দিন ব্যাপী প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির দু’টি আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের মতবিনিময় খালেদা জিয়ার মৃত্যু নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে মাদ্রাসা অধ্যক্ষের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ নীলফামারী-১ আসনের জামায়াত প্রার্থীর সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় চবিতে ভর্তি পরীক্ষায় নকলের দায়ে দুই পরীক্ষার্থী বহিষ্কার নিরাপদ-মানবিক ও আধুনিক বরগুনা গড়তে চান নজরুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেন গোয়াইনঘাটের বিএনপির নেতা খোকন কুবিতে টাইম ম্যানেজমেন্ট শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত মাভাবিপ্রবিতে ‘বিপ্লব থেকে বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা তিস্তার ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি এলাকাবাসীর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রামদা হাতে আসার অভিযোগে নিরাপত্তাকর্মী গ্রেপ্তার শার্শায় ভেজাল গুড় কারখানায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা

নাসিরনগরে প্রায় অচল ১ ও ২ টাকার ধাতব মুদ্রা, ভোগান্তিতে ক্রেতা বিক্রেতা

মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসির নগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ

অদৃশ্য কারণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হাওর বেষ্টিত নাসির নগর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে ১ ও ২ টাকার ধাতব মুদ্রা। ব্যাংক, ব্যবসায়ী, ভিক্ষুক—কেউই এখন আর এই মুদ্রা নিতে চান না। ফলে ক্রেতা–বিক্রেতা সবাইকে পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।

মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ বাংলাদেশে টাকার প্রচলন শুরু হয়। পরে ধাতব মুদ্রা ১ টাকার কয়েন চালু হয় ১৯৭৫ সালে এবং ২ টাকার ধাতব মুদ্রা চালু হয় ২০০৪ সালে।
কিন্তু গত আট থেকে দশ বছর ধরে নাসির নগরসহ ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় এই কয়েনগুলো একেবারেই অচল হয়ে আছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, কেউ এক দুই টাকার কয়েন নেয় না, ব্যাংকেও জমা দেওয়া যায় না। ফলে দোকানে খুচরা লেনদেনে বড় বিপাকে পড়ছেন তারা।

৪, ৯, ১৪, ২৯, ৩৪, ৪৯, ৯৯ টাকা বিল হলে বাকি রাখতে হয় বা চকলেট দিয়ে সমন্বয় করতে হয় ক্রেতা বিক্রেতাকে। ভিক্ষুকরাও কয়েন নিতে নারাজ।

এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা বলেন, ১ টাকা ও ২ টাকার কয়েন সচল করতে হলে প্রশাসনের কঠোর উদ্যোগ জরুরি। না হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই মুদ্রাগুলো একেবারেই অচেনা হয়ে যাবে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ব্যাংক ১ ও ২ টাকার কয়েন জমা দিলে নিতে চায় না, কোন কোম্পানির প্রতিনিধিও ১ ও ২ টাকার কয়েন নেয় না। এতে করে ১ ও ২ টাকার কয়েন পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছে বলে জানায় তারা।

ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ সরকারের নিকট ১ ও ২ টাকার কয়েনের বিষয়ে দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩