বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে র‍‍্যাব ও পুলিশের পৃথক অভিযান: বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল ও মদ উদ্ধার, আটক ১ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ২ লাখ ৯২ হাজার প্রবাসীর নিবন্ধন বঙ্গভবনে পৌঁছেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড সচেতনতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত বরিশালে ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদা আদায়কালে ভুয়া দুই সাংবাদিক আটক ভূমিহীনদের জমির ধান জোরপূর্বক কেটে নিয়েছে ভূমিদস্যু কুবিতে ফিল্ম সোসাইটির কর্তৃক চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও নবীনবরণ সড়ক দুর্ঘটনায় চবি ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলামের মৃত্যু নবীনগরে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালন সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক, প্রতিরোধ বিষয়ে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি প্রতিরোধ দিবস পালিত চবি শাটল ট্রেন থেকে পড়ে ষাটোর্ধ ব্যক্তির মৃত্যু তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে বাসভর্তি ৯৬টি কম্বল জব্দ, দুইজন আটক নাসির নগরে ফার্মেসীতে মোবাইল কোর্টের অভিযান, বেশ কয়েকটি ফার্মেসীকে জরিমানা বানারীপাড়ায় পাঁচ নারী পেলেন ‘অদম্য নারী পুরস্কার–২০২৫’ ‎‎চাঁপাইনবাবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ৪ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় ত্রিশাল মুক্ত দিবস উদযাপন অদম্য নারী সুমিকে সম্মাননা-গোয়াইনঘাটে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপিত বান্দরবানে রিসোর্ট মালিক ও ম্যানেজার অপহরণ-পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান শুরু নলছিটিতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত

নাসিরনগরে প্রায় অচল ১ ও ২ টাকার ধাতব মুদ্রা, ভোগান্তিতে ক্রেতা বিক্রেতা

মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসির নগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ

অদৃশ্য কারণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হাওর বেষ্টিত নাসির নগর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে ১ ও ২ টাকার ধাতব মুদ্রা। ব্যাংক, ব্যবসায়ী, ভিক্ষুক—কেউই এখন আর এই মুদ্রা নিতে চান না। ফলে ক্রেতা–বিক্রেতা সবাইকে পড়তে হচ্ছে চরম ভোগান্তিতে।

মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ বাংলাদেশে টাকার প্রচলন শুরু হয়। পরে ধাতব মুদ্রা ১ টাকার কয়েন চালু হয় ১৯৭৫ সালে এবং ২ টাকার ধাতব মুদ্রা চালু হয় ২০০৪ সালে।
কিন্তু গত আট থেকে দশ বছর ধরে নাসির নগরসহ ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় এই কয়েনগুলো একেবারেই অচল হয়ে আছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, কেউ এক দুই টাকার কয়েন নেয় না, ব্যাংকেও জমা দেওয়া যায় না। ফলে দোকানে খুচরা লেনদেনে বড় বিপাকে পড়ছেন তারা।

৪, ৯, ১৪, ২৯, ৩৪, ৪৯, ৯৯ টাকা বিল হলে বাকি রাখতে হয় বা চকলেট দিয়ে সমন্বয় করতে হয় ক্রেতা বিক্রেতাকে। ভিক্ষুকরাও কয়েন নিতে নারাজ।

এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা বলেন, ১ টাকা ও ২ টাকার কয়েন সচল করতে হলে প্রশাসনের কঠোর উদ্যোগ জরুরি। না হলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই মুদ্রাগুলো একেবারেই অচেনা হয়ে যাবে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ব্যাংক ১ ও ২ টাকার কয়েন জমা দিলে নিতে চায় না, কোন কোম্পানির প্রতিনিধিও ১ ও ২ টাকার কয়েন নেয় না। এতে করে ১ ও ২ টাকার কয়েন পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছে বলে জানায় তারা।

ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ সরকারের নিকট ১ ও ২ টাকার কয়েনের বিষয়ে দ্রুত সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩