শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
চিলায় ধানের শীষের পথসভা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রীবরদীতে সুজনের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ও নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা আগামীকাল ভোটারদের যাতায়াত ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি অনুমোদন মোংলায় দুর্যোগ প্রস্তুতি পরিকল্পনা প্রণয়নে ‘ফিশনেট’ প্রকল্পের যাচাইকরণ সভা অনুষ্ঠিত বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রীপুরে সড়ক অবরোধ, শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ বিএনপি’র দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন বিএনপি নেতাকে বহিষ্কার। মহাদেবপুরে শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল আজ থেকে ৪১৯ উপজেলায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে কুবির শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের নতুন প্রভোস্ট ড. জনি আলম অধ্যাদেশ জারি : তিন ফসলি জমিতে তামাক চাষ নিষিদ্ধ, লঙ্ঘনে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ঠাকুরগাঁওয়ে জামায়াতের আমিরের আগমন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ঠাকুরগাঁওয়ের ৩টি আসনে ২০ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ নওগাঁয় নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, জেলাজুড়ে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট কুড়িগ্রামের ৪টি সংসদীয় আসনে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন গাজীপুরে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১১৮ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার তারেক রহমান আগমন উপলক্ষে চৌদ্দগ্রামে প্রস্তুতি সভা ও আনন্দ মিছিল আগামীর বাংলাদেশ সব শ্রেণীর মানুষের অধিকার রক্ষার বাংলাদেশ : ডা. তাহের দেড়যুগের দখলমুক্তি, গরুর হাট উচ্ছেদে ফিরল শিক্ষার স্বস্তি জয়পুরহাটে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বানারীপাড়ায় ভূমিকম্পের পর বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন

মোঃ সাইফুল ইসলাম, বানারীপাড়া প্রতিনিধি:

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের উত্তর নাজিরপুর গ্রামে ভূমিকম্পের প্রভাবে একটি বসতঘরসহ প্রায় ২০ শতাংশ জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার পরপরই এ ভাঙন শুরু হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

নদীতে বিলীন হওয়া বসতবাড়িটির মালিক মোঃ আবু বকর ঘরামী জানান, তিনি তাঁর বাবাসহ পূর্বপুরুষের বসতবাড়িতেই বসবাস করে আসছিলেন। ঘরটি নদীর খুব কাছাকাছি থাকায় তিনি কয়েক দিনের মধ্যেই নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ ভাঙনে এত দ্রুত ঘরটি নদীতে তলিয়ে যাবে তা কেউই অনুমান করতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, ভূমিকম্পের প্রভাবেই নদীভাঙন তীব্র হতে পারে বলে তাঁদের ধারণা। তবে সৌভাগ্যক্রমে ঘরটির ভেতরে কেউ না থাকায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

প্রতিবছর অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে চাউলাকাঠি, মিরেরহাট, জাঙ্গালিয়া, খোদাবখসা, মসজিদবাড়ি, খেজুরবাড়ি, শিয়ালকাঠি, দান্ডয়াট, ব্রাহ্মণকাঠি, কাজলাহার, জম্বুদ্বীপ ও বাইশারীসহ একাধিক গ্রাম ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। ইতোমধ্যে শিয়ালকাঠি, নাটুয়ারপাড় ও কালিরবাজারসহ কয়েকটি গ্রাম সম্পূর্ণরূপে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এসব ভাঙনকবলিত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে আন্দোলন ও মানববন্ধন করেও কার্যকর পদক্ষেপ মিলছে না। ফলে প্রতি বছর নদীভাঙনে ঘরবাড়ি, জমিজমা ও জীবিকা হারিয়ে অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩