Sunday , 13 September 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

নারীদের মাইগ্রেনের ঝুঁকি বেশি কেন, কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
September 13, 2026 1:31 pm

মাসের নির্দিষ্ট সময়ে মাথাব্যথা, আলো ও শব্দে অস্বস্তি, বমি বমি ভাব কিংবা মাথা ঘোরার মতো সমস্যা অনেক নারীর জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলে। পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি দেখা যায়, যার পেছনে হরমোনের পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের মাইগ্রেনের অন্যতম বড় কারণ হলো হরমোনের ওঠানামা। তবে ঘুমের অনিয়ম, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা, পানিশূন্যতা, মানসিক চাপ এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনের মতো বিষয়ও মাইগ্রেনের আক্রমণ বাড়াতে পারে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুরুষের তুলনায় নারীদের মাইগ্রেনের ঝুঁকি প্রায় তিন গুণ বেশি। বিশ্বজুড়ে প্রতি সাতজন মানুষের মধ্যে প্রায় একজন মাইগ্রেনে ভোগেন।

মাইগ্রেনকে জেনেটিক ও স্নায়বিক সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক বিভিন্ন পরিবর্তনের প্রতি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। কিছু মানুষের শরীরে মাইগ্রেনের সঙ্গে সম্পর্কিত জিন থাকলেও সবার ক্ষেত্রে এর উপসর্গ দেখা যায় না।

বাইরের বিভিন্ন উদ্দীপক মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট স্নায়ুপথ সক্রিয় করে দিলে মাইগ্রেনের আক্রমণ শুরু হতে পারে। তবে মাইগ্রেনের কারণ সবার ক্ষেত্রে এক নয়। একজনের যে বিষয়টি মাইগ্রেন বাড়ায়, অন্য কারও ক্ষেত্রে সেটি কোনো সমস্যা নাও তৈরি করতে পারে।

হরমোনের পরিবর্তনের প্রভাব

শৈশবে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে মাইগ্রেনের হার প্রায় কাছাকাছি থাকে। তবে বয়ঃসন্ধির পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে শুরু করে। বিশেষ করে মেয়েদের মাসিক শুরু হওয়ার পর মাইগ্রেনের প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।

মাসিকের আগে শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা দ্রুত কমে যায়। এই হরমোন পরিবর্তন অনেক নারীর ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের আক্রমণ শুরু করতে পারে বা আগের তুলনায় সমস্যা আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

জীবনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় পেরিমেনোপজ। মেনোপজের আগে হরমোনের মাত্রায় দ্রুত পরিবর্তনের কারণে এ সময়ও অনেক নারীর মাইগ্রেন বেড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি ঘুমের সমস্যা ও পারিবারিক নানা দায়িত্বের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

তবে মেনোপজের পর হরমোনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হলে অনেক নারীর মাইগ্রেনের আক্রমণের হার ও তীব্রতা কমে আসতে পারে।

জীবনযাপনের প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ

মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে অনেক সময় একটি নির্দিষ্ট কারণ চিহ্নিত করা যায় না। বরং কয়েকটি ছোট ছোট বিষয় একসঙ্গে শরীরের সহনীয় সীমা অতিক্রম করলে আক্রমণ শুরু হতে পারে।

কম ঘুম, অতিরিক্ত ঘুম, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা, রক্তে শর্করার ওঠানামা এবং মানসিক চাপ—এসব বিষয় কারও কারও ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের উদ্দীপক হিসেবে কাজ করতে পারে।

তাই নিয়মিত ঘুম, সময়মতো খাবার খাওয়া এবং প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো ও জেগে ওঠার অভ্যাস মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

পানিশূন্যতা ও মানসিক চাপের সম্পর্ক

গরমের সময় বা ব্যস্ততার কারণে অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। শরীরে পানির ঘাটতি কিছু মানুষের ক্ষেত্রে মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং দীর্ঘ সময় পানিশূন্য অবস্থায় না থাকার চেষ্টা করা জরুরি।

এ ছাড়া কাজ, পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন দায়িত্ব থেকে তৈরি হওয়া দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপও মাইগ্রেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।

তবে শুধু চাপের সময় নয়, দীর্ঘ ব্যস্ততার পর হঠাৎ স্বস্তির সময়ও কারও কারও মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। তাই নিয়মিত বিশ্রাম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং কাজের ফাঁকে বিরতি নেওয়া প্রয়োজন।

আবহাওয়ার পরিবর্তনেও বাড়তে পারে সমস্যা

তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও বায়ুচাপের পরিবর্তনও কিছু মানুষের মাইগ্রেন বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তনের সময় যাদের মাইগ্রেনের প্রবণতা রয়েছে, তাদের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া আয়রনের ঘাটতি, সিলিয়াক রোগ ও থাইরয়েডের সমস্যার মতো কিছু শারীরিক অবস্থার সঙ্গেও মাইগ্রেনের সম্পর্ক থাকতে পারে।

নিজের মাইগ্রেনের কারণ বা ট্রিগার চিহ্নিত করা গুরুত্বপূর্ণ। কখন মাথাব্যথা শুরু হচ্ছে, এর আগে কত ঘণ্টা ঘুম হয়েছে, কখন খাবার খাওয়া হয়েছে, কতটা পানি পান করা হয়েছে, মানসিক চাপের মাত্রা এবং মাসিক চক্রের কোন সময়ে ছিলেন—এসব তথ্য লিখে রাখা যেতে পারে।

কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসের তথ্য পর্যালোচনা করলে কোন বিষয়গুলো মাইগ্রেনের আগে বারবার ঘটছে, তা বোঝা সহজ হতে পারে।

বারবার মাইগ্রেন হলে, আগের তুলনায় তীব্রতা বেড়ে গেলে বা দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ সব ধরনের মাথাব্যথা মাইগ্রেন নয়; দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক মাথাব্যথার পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

ইন্দোনেশিয়ায় নৌকাডুবির পর ৩ দিন সাগরে ভেসে থাকা ৫ জনকে উদ্ধার

স্বাস্থ্য মন্ত্রীর কাছে বাগেরহাটে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবি নেতৃবৃন্দের

রামগঞ্জে কবরস্থান থেকে ২৪ কেজি ব্যবহৃত গুলির ধাতব অংশ উদ্ধার

পাঁচবিবি ধরঞ্জী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মাসিক নির্বাচনী বৈঠক অনুষ্ঠিত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

নদ-নদীতে নিয়মিত পোনা অবমুক্তের আহ্বান জেলা প্রশাসকের

কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

জয়পুরহাটে জামায়াতের নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫০ ফিট রাস্তা সংস্কার কাজের উদ্বোধন

ফ্রান্সে টর্নেডোর তাণ্ডব, আহত ৪১

পবিপ্রবিতে বাঁধন’র ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন