বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
হরিরামপুরে ২০ হাজার শীতার্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ : ডেবোনেয়ার গ্রুপের আমতলীতে যৌথবাহিনীর চেকপোস্ট অভিযান : ৩ হাজার টাকা জরিমানা কক্সবাজারে বসতঘরে হামলা, প্রবাসীকে মারধর ও নারীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ বাগআঁচড়ায় ছয়জন মটর শ্রমিকের মরণোত্তর ভাতা প্রদান ডিমলায় শীতার্তদের মাঝে ইউএনও এর কম্বল বিতরণ মোংলায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া দুমকিতে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া বাউফলে নার্সদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ অসহায় শীতার্তদের পাশে সীমান্ত পরিবার কল্যাণ সমিতি বাড়তি দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা দোয়ারাবাজারে জামায়াতের ছাত্র সমাবেশে আবু সাইদ ও হাদীর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ছাত্রসমাজকে আহ্বান অসহায় বিধবা মহিলাকে খাদ্য, শীতবস্ত্র ও স্থায়ী ঘরের আশ্বাস দিলেন ইউএনও আমতলীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরনে আর্থিক সহায়তা : মোল্লা ফাউন্ডেশন সরিষার সোনালী ফুলে মধু’র স্বপ্ন বুনছে কৃষক কুয়াকাটায় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মোবাইল, ওয়ালেট হারানো ও অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: ইসি সানাউল্লাহ গোয়াইনঘাটে অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ নিধন : দায় নিচ্ছে না কেউ ‎কুবির বরুড়া ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের নেতৃত্বে আলভীর-জুয়েল পুরো ঢাকার শহর খালেদা জিয়ার জানাজায় পরিনত হয়েছিলো : এবিএম মোশাররফ

স্কুল মাঠেই থমকে গেছে গয়া কাকার জীবন: চটপটি বিক্রির গাড়ি অচল, সহানুভূতির হাত বাড়ানোর অপেক্ষায়

মোঃ ফাহিম সরকার, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

দিনাজপুরের বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গেট ও মাঠসংলগ্ন এলাকায় প্রায় তিন যুগ ধরে একটি ছোট ভ্যানে চটপটি ও মাখা বিক্রি করে আসছিলেন ষাটোর্ধ্ব গয়া কাকা। তাঁর হাতে বানানো চটপটির স্বাদ আজও বহু প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীর স্মৃতিতে অমলিন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আজ সেই গয়া কাকার জীবন যেন থমকে গেছে—ঠিক তাঁর অচল হয়ে পড়া চটপটির গাড়িটির মতোই।

দীর্ঘদিনের ব্যবহারে গয়া কাকার চটপটি বিক্রির ভ্যানটির বডি ও চাকা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। সামনের চাকা রিং ও সুতার সাহায্যে কোনো রকমে বেঁধে চালানো হচ্ছিল, যা তাঁর সংগ্রামী জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। বর্তমানে গাড়িটি একেবারেই অচল। মেরামত করতে প্রয়োজন প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা, যা জোগাড় করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

গয়া কাকা বলেন, “গাড়িটা ঠিক হলে আবার নিজের মতো করে কাজ করতে পারতাম। ছেলে আর আমার আয়ে পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু ভালোভাবে খেতে পারতাম।”

বর্তমানে তিনি ছেলের ভ্যানে করে কোনোমতে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাঁচ সদস্যের পরিবারের জন্য দৈনিক ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার আয় নিতান্তই অপ্রতুল। সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিতে গিয়ে বড় ছেলের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে বিদ্যালয়ের কিছু মানবিক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে গয়া কাকার পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে তাঁর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য এখনও বড় পরিসরের সহায়তা প্রয়োজন।

গয়া কাকার মতো একজন আত্মসম্মানী ও পরিশ্রমী মানুষের পাশে দাঁড়ানো সমাজের সচেতন মহল ও বিত্তবানদের মানবিক দায়িত্ব। সামান্য সহায়তায় একটি ভ্যান যেমন আবার চলতে পারে, তেমনি নতুন করে এগিয়ে যেতে পারে গয়া কাকার জীবনও—যেন অভাবের চাপে আর থেমে না যায় তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের পথচলা।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩