Sunday , 23 November 2025 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. আবহাওয়া
  8. ইউরোপ মহাদেশ
  9. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  10. এশিয়া মহাদেশ
  11. কৃষি
  12. ক্যাম্পাস
  13. ক্রিকেট
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম

ঝিনাইগাতীতে গারো সম্প্রদায়ের বৃহৎ সামাজিক উৎসব ওয়ানগালা নবান্ন শুরু

প্রতিবেদক
নিউজ ডেক্স
November 23, 2025 7:13 am

আরিফ হোসেন, ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:

​আনন্দ, কৃতজ্ঞতা ও ঐতিহ্যের পসরা নিয়ে শেরপুর জেলার সীমান্ত উপজেলা ঝিনাইগাতীতে শুরু হয়েছে গারো সম্প্রদায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ‘ওয়ানগালা’। নতুন ফসল ঘরে তোলার এই উৎসবটি গারোদের নবান্ন বা ধন্যবাদের উৎসব হিসেবে পরিচিত। এটি ‘একশ ঢোলের উৎসব’ নামেও খ্যাতি লাভ করেছে।

সাধারণত বর্ষার শেষে ও শীতের আগে, নতুন ফসল ঘরে তোলার পর এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি তিন দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হয়েছে।

ঝিনাইগাতীর মরিয়মনগর মাঠে ও মরিয়মনগর সাধু জর্জের ধর্মপল্লীর উদ্যোগে এটি উদযাপিত হচ্ছে।উৎসবটির উদ্বোধন করেন ঢাকা মহা ধর্মপ্রদেশের কার্ডিনাল বিশপ প্যাট্রিক ডি. রোজারিও।

ওয়ানগালা উৎসব মূলত গারোদের শস্যদেবতা ‘মিসি সালজং’-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও নতুন ফসল গ্রহণের অনুমতি নেওয়ার উৎসব।গারো ভাষায় ‘ওয়ানা’ শব্দের অর্থ হলো দেবদেবীর দানের দ্রব্যসামগ্রী আর ‘গালা’ শব্দের অর্থ হলো উৎসর্গ করা। অর্থাৎ, এটি শস্যদেবতার কাছে ফসলের দ্রব্যসামগ্রী উৎসর্গ করার উৎসব।গারোদের বিশ্বাস, শস্যদেবতার ওপরই ফসলের ভালো ফলন নির্ভর করে। এই উৎসবের আগে পর্যন্ত তাদের জন্য নতুন খাদ্যশস্য ভোজন নিষেধ থাকে। ওয়ানগালা উৎসবের মাধ্যমে শস্য দেবতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবং নতুন ফসল খাওয়ার অনুমতি নিয়ে তারা তা উদযাপন করে।এই উৎসব উদযাপনের প্রধান লক্ষ্য হলো সুপ্রাচীনকাল থেকে চলে আসা গারো সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি, ধর্ম ও বিশ্বাসকে নতুন প্রজন্ম ও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে তুলে ধরা।

আয়োজনের প্রধান আকর্ষণ উৎসবের সূচনা করা হয় ‘থক্কা’ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এছাড়াও রয়েছে বাণী পাঠ (মান্দি ভাষায়), খামালকে ‘খুথুব’ (ধন্যবাদ) ও ‘থক্কা’ প্রদান, পবিত্র খ্রীষ্টযাগ (খ্রিস্টান ধর্মীয় আচার), প্রার্থনা ও নকগাথা অনুষ্ঠান।গারোদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে ১৩টি গোত্রের মানুষ তাদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে এসে উৎসর্গ করে। এছাড়া, ঢোলের তালে তালে ঐতিহ্যবাহী নৃত্য-গীত পরিবেশিত হয়।

কিশোর-কিশোরীদের চিত্রাঙ্কন, ছড়া (মান্দি ভাষায়), নৃত্য এবং ‘মিস ওয়ানগালা’ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উৎসব ঘিরে ধর্মপল্লীর পাশে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, খাবার ও শিশুদের খেলনা নিয়ে একটি মেলাও বসে।

এই উৎসব শুধু গারোদের মিলনক্ষেত্র নয়, এটি তাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও জীবনাচার তুলে ধরার এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যা সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে এক করে সম্প্রীতির বার্তা দেয়।

সর্বশেষ - সারাদেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত

অসহায় বিধবা মহিলাকে খাদ্য, শীতবস্ত্র ও স্থায়ী ঘরের আশ্বাস দিলেন ইউএনও

শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ায় মাভাবিপ্রবি উপাচার্য

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরেছেন বেগম খালেদা জিয়া

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা

লক্ষ্মীপুরে মাকে বেঁধে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ করলো ছাত্রলীগ সভাপতি

জাবির ১০ নং ছাত্র হলে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

চবির ৫৬৫তম সিন্ডিকেটে ১৫৩ নিয়োগের অভিযোগ মিথ্যা : দুদক

নির্বাচনের আগে যে কোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

চৌদ্দগ্রাম সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ নিহত ২

জুলাই আন্দোলনে শহীদ বিশালের রুহের মাগফিরাত কামনায় কবর জিয়ারত অনুষ্ঠিত