শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
ত্রিশালে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা শৈলকুপায় রাত নামলেই ডাকাত আতঙ্ক, নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ পুঠিয়ায় হলুদ চাষে বিপ্লব : ১০ কাঠা জমিতে ৯২ মন ফলন গোয়াইনঘাটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৭টি বসতঘর কুবিতে হাল্ট প্রাইজ বিজয়ী ‘টিম কাগজ ডট কম’ ত্রিশাল বাজারে কসমেটিকস ও ব্যাগের দোকানে অগ্নিকাণ্ড বাউফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের স্বাগত মিছিলে জনসমুদ্র পটুয়াখালী-২ আসনে ধানের শীষের পক্ষে কালাইয়ায় জনসমুদ্র বানেশ্বরে শহীদ নাদের আলী স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান ট্রাকের চাপায় ঝরে গেলো একটি তাজা প্রাণ দোয়ারাবাজারে অবৈধ মাটি কাটার অপরাধে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বাউফলে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত নলছিটিতে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা সিলেটে তারেক রহমানের জনসভায় জনসমুদ্র পদোন্নতি পাওয়া পুলিশ সদস্যকে পরানো হলো র‍্যাঙ্ক ব্যাজ নাউতারায় গ্রাম আদালতে নারী নির্যাতন মামলার রায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা আয়োজনে বাণী অর্চনা উদযাপন চবিতে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা, একযোগে ১৩টি মণ্ডপে উদযাপন শ্রীবরদীতে বিএনপি’র প্র নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন কুবিতে উত্তরবঙ্গ ছাত্র পরিষদের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

পুঠিয়ায় হলুদ চাষে বিপ্লব : ১০ কাঠা জমিতে ৯২ মন ফলন

মোঃ সিজার হোসেন, পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় দেশীয় হলুদের চাহিদা পূরণে ব্যতিক্রমী সাফল্য দেখিয়েছেন গন্ডগোহালী গ্রামের তরুণ কৃষক মোঃ মিজানুর রহমান মিজান। মাত্র ১০ কাঠা জমিতে পাবনায়া জাতের হলুদ চাষ করে তিনি পেয়েছেন প্রায় ৯২ মন হলুদের ফলন, যা স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হলুদ তোলার সময় প্রতিটি গাছের ছরিতে দেড় থেকে দুই কেজি পর্যন্ত হলুদ পাওয়া যাচ্ছে। এমন ফলন দেখে এলাকার অন্য কৃষকরাও হলুদ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

হলুদ ব্যবসায়ী মাসুদ রানা বলেন, আমি রাজশাহী জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে দীর্ঘদিন ধরে হলুদ কিনে থাকি। কিন্তু আমার ব্যবসায়িক জীবনে এমন ফলনশীল হলুদ কখনো দেখিনি। পুঠিয়ার গন্ডগোহালী গ্রামে এই ১০ কাঠা জমি থেকেই আমি নিজে ৮০ মন হলুদ ওজন করে নিয়েছি। পাবনায়া জাতের হলুদের এমন ফলন এই অঞ্চলে এই প্রথম দেখলাম।

হলুদ চাষি মিজানুর রহমান জানান, আমি পাবনায়া জাতের হলুদ চাষ করেছি। ১০ কাঠা জমিতে মোট ফলন হয়েছে প্রায় ৯২ মন। এর মধ্যে ৮০ মন বিক্রি করেছি, নিজের জমিতে পরবর্তী চাষের জন্য ৪ মন বাসায় রেখেছি এবং প্রায় ৮ মন হলুদের মোথা সংরক্ষণ করেছি। সব মিলিয়ে এই ফলন আমার প্রত্যাশারও অনেক বাইরে। তিনি আরও বলেন, এই হলুদ চাষে আমার মোট খরচ হয়েছে ২২ হাজার ৫০০ টাকা। প্রতি মন ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। লাভের অঙ্কটা সহজেই হিসাব করা যায়। আমি অন্য কৃষকদের বলবো বীজ কেনার সময় যদি বাজারদরের চেয়ে ৫০০ টাকা বেশিও লাগে, ভালো মানের বীজ সংগ্রহ করবেন। তাহলে এমন ফলন পাওয়া সম্ভব এবং হলুদ চাষে লাভবান হওয়া যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, আমরা সবসময় কৃষকের পাশে আছি যে কোন পরামর্শের জন্য। উঁচু জমি, আমবাগান বা পরিত্যক্ত জমিগুলো হলুদ চাষের জন্য খুবই উপযোগী এগুলোতে বস্তায়ও হলুদ চাষ হচ্ছে। সঠিক পদ্ধতিতে এমন ফলনশীল হলুদ চাষ করা গেলে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের মতে, মিজানুর রহমানের এই সাফল্য পুঠিয়ায় হলুদ চাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে এবং কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩