Thursday , 3 September 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

তিন বছরে কার্যক্রম বন্ধ করেছে ৪০০-এর বেশি গার্মেন্টস কারখানা: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
September 3, 2026 12:16 pm

গত তিন বছরে দেশে ৪০০টির বেশি তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে বিজিএমইএর ২৮২টি এবং বিকেএমইএর ১২৩টি সদস্য কারখানা কার্যক্রম বন্ধ করেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি আরও বলেন, বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর নামের তালিকা সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কারখানা বন্ধ হওয়ার কারণ হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত, আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক মন্দা, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ইউরোপের সঙ্গে ভারত ও ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং বিদেশি ক্রেতাদের ছোট ও মাঝারি কারখানায় রপ্তানি আদেশ দিতে অনাগ্রহকেও গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে তুলে ধরেন।

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্রখাতে শুদ্ধ বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে ১ দশমিক ৫০ শতাংশ বিকল্প নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ইউরো অঞ্চলে রপ্তানিকারকদের জন্য অতিরিক্ত ০ দশমিক ৫০ শতাংশ বিশেষ সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি নিট, ওভেন ও সোয়েটার শিল্পের জন্য অতিরিক্ত ৩ শতাংশ সুবিধা এবং তৈরি পোশাক খাতে ০ দশমিক ৩০ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা চালু রয়েছে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখতে দেশব্যাপী নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ের বিশেষ টাস্কফোর্স এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে অতিরিক্ত মূল্য আদায়, মজুতদারি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন সিন্ডিকেট, কার্টেল ও যোগসাজশমূলক কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোক্তার স্বার্থ রক্ষা ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিং, তদারকি এবং আইনানুগ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও জোরদার করা হবে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত