সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, দেশের সকল নাগরিকের জন্য গর্বের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার। এজন্য তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু হয়েছে।
আজ রাজধানীর আফতাবনগরে পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের (পিএসটিসি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণ’ প্রতিপাদ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। ওই সময়ে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। ফলে, রাষ্ট্র পরিচালনার কর্মপ্রণালি বা পদ্ধতিকে ধ্বংস করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতি পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ধ্বংস করা হয়েছে। বিএনপি সরকার ধ্বংস হয়ে যাওয়া রাষ্ট্র পরিচালনার কর্মপ্রণালি বা পদ্ধতিকে পুনরায় স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করেছে।
ফারজানা শারমীন বলেন, অতীতে স্বেচ্ছাচারিতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছিল। কোনো জবাবদিহিতা ছিল না। এই অবস্থার উত্তরণ ঘটেছে। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছে। এই সংসদে সরকারের পাশাপাশি প্রকৃতই বিরোধীদল আছে। যেখানে জনগণের কল্যাণে কথা হয়।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবারের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ নারীকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। যাতে পুরো পরিবারকে সেবা দেওয়া এই নারীকে যেন তার গুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রয়োজনে কারো মুখাপেক্ষী না হতে হয়। অর্থনৈতিক এবং মানসিকভাবে তিনি যেন স্বস্তিতে থাকেন। পরিবার থেকে শুরু করে দেশের সকল মানুষের মনে আমরা স্বস্তি নিয়ে আসতে চাই।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত ৭২ হাজার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ছিল। সক্রিয় না থাকার কারণে এই সংখ্যা কমে ৫৬ হাজার হয়েছে। প্রকৃত কল্যাণমুখী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে বিগত ৪৮ বছর ধরে দেশের জনস্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গসমতা, কিশোর-কিশোরীদের উন্নয়ন, অনগ্রসর জনগোষ্টির অন্তর্ভূক্তিমূলক উন্নয়নে কাজ করে যাওয়া পিএসটিসির প্রশংসিত কার্যক্রম আগামীতে আরো বেগবান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।



















