সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ কুমিল্লা-১১ আসনে সবচেয়ে কম ৯৮ ভোট পেয়েছেন আলমগীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ চৌদ্দগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা জনগণের শান্তির পক্ষে কাজ করব : ফজলুল হক মিলন ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন: ৫ জনের কারাদণ্ড ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ বা ‘ডেভিলস ব্রেথ’ এর শিকার সদরপুরের শহীদুল ঈদগাঁওয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, যৌথ বাহিনীর প্রচেষ্টায় রক্ষা পেল বহুতল ভবন মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা ডিমলায় বুড়ি তিস্তার ভাঙ্গন আতঙ্কে হাজারো পরিবার, সাতজানে বাঁধ নির্মাণ অনিশ্চিত বিএনপিতে সন্ত্রাসীদের কোনো জায়গা নেই : নিজান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার : কাজল জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়ায় যুবককে হাতুড়িপেটা, বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ ঝালকাঠির দুই আসনেই বিএনপির জয় তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ বাঘা-চারঘাটে ধানের শীষের বড় জয়

জেনারেল এম এ জি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী-এর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৪ সালের এই দিনে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে তাঁর মরদেহ দেশে আনা হলে সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজারসংলগ্ন কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দোয়া, আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর সামরিক জীবনের শুরু। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি দক্ষতার পরিচয় দেন এবং অল্প বয়সেই মেজর পদে উন্নীত হন। পরবর্তীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকার তাঁকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়। তাঁর নেতৃত্বে দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং সমন্বিত গেরিলা ও সম্মুখযুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করা হয়। এতে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং শত্রুপক্ষের ওপর ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি সম্ভব হয়।

সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে গৃহীত কৌশলের ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা হামলা, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস এবং রসদ সরবরাহে আঘাত হানেন। তাঁর অনুমোদনেই পরিচালিত ঐতিহাসিক অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে পাকিস্তানি জাহাজে সফল আক্রমণ চালানো হয়।

স্বাধীনতার পর গঠিত সরকারে তিনি জাহাজ চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ ও বিমান চলাচল মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী পুনর্গঠনে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর প্রতিবাদে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন এবং ওসমানী জাদুঘর তাঁর স্মৃতি বহন করছে। এছাড়া ওসমানীনগর উপজেলা তাঁর নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৫ সালে তাঁকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে। মুক্তিযুদ্ধের এই সর্বাধিনায়কের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা আজও।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩