Monday , 17 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

নালা খনন করতে গিয়ে মিলল ১২৭ কোটি টাকার স্বর্ণের বার ও মুদ্রা

বেলজিয়ামে নালার লাইন খননের কাজ করতে গিয়ে নির্মাণশ্রমিকরা বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের বার, দুর্লভ স্বর্ণমুদ্রা ও স্বর্ণের টুকরো উদ্ধার করেছেন। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯০ লাখ ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৭ কোটি টাকার সমান।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, রাজধানী ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সিন্ট-জিলিস-ডেন্ডারমন্ডে এলাকায় ভূগর্ভস্থ পাইপ পরিবর্তনের কাজ চলাকালে এই গুপ্তধনের সন্ধান মেলে। গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) কোবে নামে ১৮ বছর বয়সী এক চুক্তিভিত্তিক তরুণ কর্মী প্রথম এটি দেখতে পান। তার ভাষ্য, শুরুতে তারা মাটিতে পড়ে থাকা বস্তুগুলোকে ১ ইউরোর সাধারণ মুদ্রা মনে করেছিলেন। পরে একটি স্বর্ণের বার দেখতে পেয়ে বুঝতে পারেন, সেখানে আরও মূল্যবান সম্পদ লুকিয়ে রয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে ‘থিওফিলাস ভ্যান আস’ নামে এক ডিস্টিলারি বা বিয়ার কারখানার মালিকের জন্য নির্মিত একটি ভিলার ভূগর্ভস্থ দেয়ালের ভেতরে গুপ্তধনটি রাখা ছিল। পুরোনো ইটের তৈরি একটি সেলারের দেয়ালে প্লাস্টিকের ব্যাগে সাজিয়ে রাখা ছিল স্বর্ণমুদ্রা, স্বর্ণের টুকরো (নাগেট) এবং নির্দিষ্ট নম্বরযুক্ত মূল্যবান স্বর্ণের বার। কোবের মতে, স্বর্ণগুলো দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল যে সেগুলো পরিকল্পিতভাবেই সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।

১৮৯৯ সালে ওই স্থানে বিয়ার উৎপাদন শুরু হলেও ১৯৭০ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ভবনটির মূল ফটকে এখনো প্রতিষ্ঠাতা ‘ভিএ’ (ভ্যান আস)-এর নাম কারুকাজ করে লেখা রয়েছে। বর্তমানে সামাজিক কল্যাণ সংস্থা ‘সিএডব্লিউ ওস্ট-ভ্লাদেরেন’ অফিস ও আবাসন নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভবনটির সংস্কারকাজ পরিচালনা করছে।

ঘটনার পর উদ্ধার করা স্বর্ণের বার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ ভল্টে স্থানান্তর করেছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে প্রকৃত মালিক কে, তা নির্ধারণে স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। পূর্ব ফ্ল্যান্ডার্স প্রসিকিউটর অফিসের প্রতিনিধি হান ওলেভিয়ার জানান, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ কোনো চুরি বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি না, সেটি আগে নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি মালিকানা নিয়ে ভবিষ্যতে জটিল দেওয়ানি আইনি বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, কুড়িয়ে পাওয়া যেকোনো গুপ্তধনের প্রকৃত মালিকের সন্ধানে অন্তত পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়।

সর্বশেষ - আইন-আদালত