Sunday , 2 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

মিঠা পানির মাছ উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে রাজশাহী বিভাগ

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশব্যাপী বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান মিঠা পানির মাছ উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে রাজশাহী বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজশাহী থেকে উৎপাদিত মিঠা পানির মাছ এখন ঢাকাসহ দেশের অন্তত ২৫টি জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশ ভারতও বাংলাদেশি প্রক্রিয়াজাত মাছের একটি বড় বাজার, যার সিংহভাগই রাজশাহী থেকে সরবরাহ করা হয়।

রুই, কাতলা ও মৃগেলের মতো দেশীয় প্রজাতির ব্যাপক চাষ উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ অর্থনীতিতে একটি নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে।

রাজশাহী বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের পরিচালক সাইফুদ্দিন ইয়াহিয়া জানান, রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলার মোট ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৬৫৩টি পুকুরে মাছ চাষ হচ্ছে। এর সাথে প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার মানুষ সরাসরি জড়িত এবং এখান থেকে বছরে ৫ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি মাছ উৎপাদিত হচ্ছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পর রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন মাছ সরবরাহ করা হচ্ছে। এই খাতে প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

কার্প জাতীয় মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে নাটোর ও নওগাঁ জেলা শীর্ষে রয়েছে। প্রতিদিন রাজশাহী থেকে পাঁচ শতাধিক ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন স্থানে জীবন্ত মাছ নিয়ে যাওয়া হয়। কেবল জেলার পবা উপজেলার পারিলা গ্রাম থেকেই প্রতিদিন অন্তত ৫০ ট্রাক মিঠা পানির মাছ রাজধানী ও অন্যান্য শহরে যায়।

পারিলা গ্রাম থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ ট্রাক মিঠা পানির মাছ ঢাকা ও অন্যান্য জেলায় পাঠানো হয়।

মাছ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত পারিলা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা মোশাররফ হোসেন দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে বিশেষ জলীয় পদ্ধতিতে ঢাকায় জীবন্ত মাছ পাঠাচ্ছেন। প্রায় ২২ বিঘা জমিতে তার মাছের পুকুর রয়েছে।

তিনি বলেন, একসময় আমাদের ব্যবসা শুধু রাজশাহীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। পরে ভালো ব্যবসার আশায় আমরা ট্রাকে করে ঢাকা ও অন্যান্য জেলায় জীবন্ত মাছ নিয়ে যাওয়া শুরু করি।

তিনি আরও বলেন, এই পদ্ধতিতে আমরা ভালো দাম পাচ্ছি। একটি ট্রাকে করে ১ হাজার ২০০ কেজি মাছ ঢাকার নিউ মার্কেটে নিয়ে যাওয়া সম্ভব এবং তা প্রায় ৩ লাখ টাকায় বিক্রি করা যায়।

সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা জানান, বিশেষ প্রক্রিয়ায় ট্রাকে অক্সিজেনযুক্ত পানিতে জীবন্ত মাছ সরবরাহের কারণে বাজারে রাজশাহীর মাছের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। রাজশাহী থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি হয়। ফসল এবং অন্যান্য কৃষি পণ্য থেকে কৃষকরা আশানুরূপ লাভ না পাওয়ায় তারা বাণিজ্যিকভাবে পুকুর খননের দিকে ঝুঁকছেন।

মৎস্য কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, রাজশাহীতে আগে মিশ্র পদ্ধতিতে (রুইয়ের পাশাপাশি কাতলা, সিলভার কার্প এবং দেশীয় ছোট মাছ) মাছ চাষ করা হতো, তবে এখন তা পুরো বিভাগজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

এছাড়া পাবদা, শিং, কই ও মাগুরের মতো স্থানীয় প্রজাতির বাণিজ্যিক চাষের পরিধিও বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজশাহী থেকে নিয়মিত ভারতে পাবদা মাছ রপ্তানি হচ্ছে।

চাষিদের কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে মৎস্য অধিদপ্তর আধুনিক মৎস্য চাষ ও নিরাপত্তার ওপর বছরে ১ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি চাষিকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।

তবে সম্প্রতি মাছের খাদ্যের দাম এবং ট্রাক ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন চাষিরা। মৎস্য খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারি সহায়তা এবং আর্থিক প্রণোদনা এই খাতকে আরও গতিশীল করতে পারে বলে তারা উল্লেখ করেন।

সূত্রঃ বাসস

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত

জনস্বার্থই বিএনপির রাজনীতির মূল ভিত্তি: ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব

এনপিটি সম্মেলনে পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণে জোরালো পদক্ষেপ চায় বাংলাদেশ

বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন মির্জা ফখরুল

লাখো মানুষের পদচারণায় মুখর জশনে জুলুস, উৎসবের নগরী চট্টগ্রাম

বেনজীরকে শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনার আশা সরকারের

তেলবাহী লরির ট্যাংকারে ৯২ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ৩

তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে বাসভর্তি ৯৬টি কম্বল জব্দ, দুইজন আটক

দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল সাংবাদিক ঐক্য ফোরাম এর আত্নপ্রকাশ

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

এপ্রিলে দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েছে, পিএমআই মান ৫৪.৬