Sunday , 29 March 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. আবহাওয়া
  8. ইউরোপ মহাদেশ
  9. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  10. এশিয়া মহাদেশ
  11. কৃষি
  12. ক্যাম্পাস
  13. ক্রিকেট
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় দীর্ঘসূত্রিতা দূর করার তাগিদ শিক্ষামন্ত্রীর

প্রতিবেদক
বাসস
March 29, 2026 1:20 pm

দেশের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রিতা দূর করতে শিক্ষা ব্যবস্থায় কার্যকর সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‘দেশের অন্যতম এই বড় দুই পাবলিক পরীক্ষা নিতে বিলম্বের কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ তৈরি করছে।’

আজ রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) নতুন জাতীয়করণকৃত সরকারি কলেজের শিক্ষকদের এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষা ব্যবস্থার কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ক্লাস ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো পাবলিক পরীক্ষা নিতে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাস পর্যন্ত সময় নিচ্ছে। এই দীর্ঘসূত্রিতা নিরসন করা জরুরি।’ এই প্রক্রিয়াকে আরো গতিশীল করতে কার্যকর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শিক্ষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির ‘কায়রোপ্রাকটিক ডাক্তার’। যাঁরা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলেন। শিক্ষা যদি জাতির মেরুদণ্ড হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার দায়িত্ব আপনাদের (শিক্ষকদের) ওপরই বর্তায়। নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও শিক্ষকদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার নির্দেশ দেন তিনি।

শিক্ষা খাতকে ‘ইবাদতখানা’ উল্লেখ করে ড. মিলন আরো বলেন, প্রতিটি ভালো শিক্ষা কার্যক্রমের ফলাফল একটি স্থায়ী কল্যাণ বা ‘সাদকায়ে জারিয়া’। শিক্ষকদের এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের সন্তানের মতো গড়ে তুলতে হবে। আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকাকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গঠন কোনো একক ব্যক্তি বা সরকারের কাজ নয়, এটি একটি সামগ্রিক জাতীয় অঙ্গীকার। আর এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মূল কারিগর হলেন শিক্ষকরা। প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত লিখিত সুপারিশ ও মতামতগুলো শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রঃ বাসস

সর্বশেষ - সারাদেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত

চৌদ্দগ্রামে শিশু ধর্ষক গ্রেফতার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩ কোটি টাকার হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

লেবাননে স্থানীয়দের অন্যত্র চলে যাওয়ার নির্দেশ জারি ইসরাইলি বাহিনীর

ধর্ষণ ও সহিংসতার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে চাকসুর মানববন্ধন

ঈদগাঁওয়ে তিন গ্যাস সিলিন্ডার দোকানিকে জরিমানা

নির্বাচনের আগে যে কোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

ধানের শীষকে সমর্থন জানালেন ৩ শতাধিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী

স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানাল পাকিস্তান

ডিউক অব এডিনবার্গের গোল্ড অ্যাওয়ার্ড পেলেন চবি’র পাঁচ শিক্ষার্থী

ডিমলায় অবৈধ বালু উত্তোলন ও সরকারি জমি দখলের বিরুদ্ধে একযোগে অভিযান