রাজপথে ছাত্রদলের সক্রিয় উপস্থিতি না থাকলে ছাত্রলীগের চাপে জামায়াত-শিবির আবারও ‘গুপ্ত’ রাজনীতিতে যেতে বাধ্য হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। একই সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি ভবিষ্যতে তারা ক্ষমতায় গেলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। তার পোস্টে সাম্প্রতিক সময়ে রাজশাহীতে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ এবং দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের প্রসঙ্গও উঠে আসে।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ছাত্রলীগের ভয়ে যারা একসময় গোপনে ছিল কিংবা ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের টিকিয়ে রেখেছিল, তারা কীভাবে এখন ছাত্রদলকে ‘পিটিয়ে’ রাজশাহী ছাড়া করার কথা বলছে—এটাই তার প্রশ্ন। তিনি বলেন, ছাত্রদল রাজপথে সক্রিয় না থাকলে ছাত্রলীগ আবারও জামায়াত-শিবিরকে ‘পিটিয়ে’ গুপ্ত অবস্থানে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি আরও প্রশ্ন করেন, বিরোধী দল হিসেবে থেকেই যদি সরকারি দলের লোকজনকে মারধর করে এলাকা ছাড়া করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে পরিস্থিতি কী হতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক পরিণতি নিয়েও সতর্ক করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন বলেন, বিরোধী দল হিসেবে থাকা অবস্থাতেই জামায়াত-শিবির ‘মজলুম’ থেকে ‘জালিমে’ পরিণত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার দাবি, অতীতে আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে যে পরিণতি দেখা গেছে, জামায়াতের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, এ অবস্থায় জামায়াতকে ‘কাঁচুমাচু করে’ দেশ পরিচালনার সুযোগ নেই।
নিজের পোস্টে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনা যেমন বিএনপিকে এক দিনও শান্তিতে দেশ পরিচালনা করতে না দেওয়ার কথা বলেছিলেন, জামায়াত-শিবিরও এখন একই ধরনের পথ অনুসরণ করছে।



















