জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে মোট ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) দেশীয় উৎসের গ্যাস উৎপাদন ও আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের সমন্বয়ের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়িয়েছে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশনস অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব বাসস-কে জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় জাতীয় গ্রিডে ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। তিনি জানান, দেশীয় উৎসের উৎপাদন এবং এলএনজি সরবরাহের মধ্যে সমন্বয় করেই গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সরবরাহ করা মোট গ্যাসের মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে এসেছে ১৬১ দশমিক ৫ কোটি ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ৯৯ দশমিক ১ কোটি ঘনফুট।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদন অব্যাহত রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প, সার উৎপাদনসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাস সরবরাহে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৫০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে গতকাল জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছিল ২৩৪ দশমিক ৫৩ কোটি ঘনফুট এবং রোববার সরবরাহ ছিল ২৩৩ দশমিক ১৯ কোটি ঘনফুট।
মঙ্গলবারের ২৬০ দশমিক ৬ কোটি ঘনফুট সরবরাহ আগের দিনের তুলনায় ২৬ দশমিক ০৭ কোটি ঘনফুট বেশি। আর রোববারের তুলনায় বেড়েছে ২৭ দশমিক ৪১ কোটি ঘনফুট। ফলে মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।



















