টাঙ্গাইলের গোপালপুরে প্রেমিক জিহাদ ভূঁইয়ার ঘরে অনশন করে বিয়ের পিঁড়িতে বসা মোনিয়া মুন্নি (২৩) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিয়ের মাত্র তিন মাসের মাথায় বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামে স্বামীর বসতঘর থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুন্নি ওই গ্রামেরই মঞ্জু মিয়ার মেয়ে। অন্যদিকে তার স্বামী জিহাদ ভূঁইয়া একই এলাকার লাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বিয়ের দাবিতে জিহাদের বাড়িতে টানা পাঁচ দিন অনশনে বসেছিলেন মুন্নি। পরবর্তীতে গত ৩০ এপ্রিল স্থানীয় মাতব্বরদের উপস্থিতিতে ৯ লাখ টাকা দেনমোহরে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। তবে বিয়ের পূর্বে গর্ভপাত করানো এবং মেয়ের জীবন সুরক্ষার আবেদন জানিয়ে মুন্নির মা রিনা বেগম স্থানীয় হেমনগর তদন্ত কেন্দ্রে আগে একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।
নিহতের স্বজনদের দাবি, দাম্পত্য জীবন শুরুর পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন নানা অজুহাতে মুন্নির ওপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালিয়ে আসছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্বামী জিহাদ ভূঁইয়াসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের কাউকেই বাড়িতে পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা পলাতক রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গোপালপুর থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ণয় এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



















