জুনে ইউরোপের অধিকাংশ অঞ্চলে রেকর্ড তাপদাহ দেখা দিলেও তা থেকে অনেকটাই রক্ষা পেয়েছিল গ্রিস। তবে এবার দেশটি চলতি বছরের প্রথম তাপপ্রবাহের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।
দেশটির বিশিষ্ট আবহাওয়াবিদ থিওদোরোস কোলিদাস রোববার ফেসবুকে জানান, থেসালি, পেলোপোনিসের কয়েকটি এলাকা ও বৃহত্তর এথেন্স অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি হতে পারে। বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
এথেন্স থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
কোলিদাস বলেন, সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘এটি সাধারণ উষ্ণ আবহাওয়া নয়। মূলত মূল ভূখণ্ডজুড়ে তাপপ্রবাহের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন একটি তাপমাত্রার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।’
আবহাওয়া বিষয়ক ওয়েবসাইট মেটিও ডট জিআর শনিবার জানায়, চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কোনিৎসায়। সেখানে তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা ইএমওয়াই রোববার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, সোমবার ও মঙ্গলবার গ্রিসের মূল ভূখণ্ডে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।
গ্রিসে জুলাইয়ের শেষ দিকে তাপমাত্রা এভাবে বাড়া অস্বাভাবিক। জুনে কয়েক দফা বৃষ্টিপাত ও চলতি মাসের প্রবল বাতাসের কারণে এ মৌসুমে তাপপ্রবাহ দেখা দেয়নি। অথচ একই সময়ে ইউরোপের অধিকাংশ অঞ্চলে একের পর এক তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া বিষয়ক ওয়েবসাইট মেটিও ডট জিআর জানিয়েছে, ২০১১ সালের পর এটি তৃতীয়বারের মতো সবচেয়ে বিলম্বিত ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড হলো। এর আগে ২০১৫ সালের ২০ জুলাই এবং ২০১৩ সালের ৩০ জুলাই এমন রেকর্ড হয়েছিল।



















