বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধে সরকারের নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ ও নিয়মিত নিবিড় তদারকির ফলে দেশে অবৈধভাবে বিদ্যুতের ব্যবহার, অপচয় ও অপব্যবহার বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।
আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার, মিটার টেম্পারিং, মিটার বাইপাস, হকিং ইত্যাদির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহারের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নিজস্ব জনবল দ্বারা ঝটিকা অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাসহ অবৈধ ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
দেশে অবৈধভাবে বিদ্যুতের ব্যবহার রোধকল্পে গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ হলো – নিজস্ব জনবল দ্বারা বিশেষ টিম গঠন করতঃ নিয়মিত ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ কার্যক্রম।
জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিয়মিত ভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ, জরিমানা আদায় ও বিদ্যুৎ আইন মোতাবেক শান্তি আরোপ করা হয়।
অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অবৈধ সংযোগ নিরূপণের লক্ষ্যে মিটার চেকিং কার্যক্রম ও ফিডার ভিত্তিক বিদ্যুতের ব্যবহার মনিটরিং এর জন্য এএমআর, অটোমেটেড মিটার, রিডিং মিটার স্থাপন।
এ ছাড়া বিদ্যুতের অবৈধ ব্যবহার এবং অপচয় রোধে গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত গণশুনানি/গ্রাহকদের সাথে আলোচনা এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়ে থাকে। এছাড়া, মাইকিং করে এবং প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সোশাল মিডিয়া, ওয়েবসাইট ও মসজিদের ইমামসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে গ্রাহকগণকে অবৈধ সংযোগ গ্রহণে ঝুঁকি, শান্তি ও বিদ্যুৎ অপচয় রোধের বিষয়ে সচেতন করা হয়।
বিদ্যুৎ বিল বিগত মাসের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে কম হলে, সংযোগের সার্বিক বিষয়সমূহ সূক্ষ্মভাবে নিরীক্ষণ কার্যক্রম এবং পোস্ট পেইড মিটার পরিবর্তন করে ডিজিটাল ও প্রি- পেইড/স্মার্ট মিটার স্থাপন।
সূত্রঃ বাসস



















