সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
মধ্যনগরে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ মেরামত ও সংস্কার কাজের উদ্বোধন মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের সাথে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় বানারীপাড়ায় বিজয় দিবস উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে সীমান্তে বিদেশি অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার চবির প্রশাসনিক ভবনে তালা: উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি ইউজিসির সেক্টরভিত্তিক কর্মশালায় পবিপ্রবির উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের অংশগ্রহণ কুবিতে ক্যান্সার থেকে সুরক্ষা, সচেতনতা, প্রতিরোধ ও করণীয় বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন ওসমান হাদি রাউজান থানার অভিযানে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার মুকসুদপুরে নবাগত ইউএনও মাহমুদ আশিক কবিরের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুয়াকাটার আলিপুর মধ্যবাজার সড়কে দুর্ভোগের অবসান, শুরু মেরামত নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত: সিইসি সংবাদ সম্মেলনে হাফেজ বারেক: অন্যের জমি নয়, নিজের জমির ধান কেটেছি ইরাসমাস ও বিনিময় কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেল কুবি পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর উদ্যোগ ৩৬ জন শিক্ষানবিশ সদস্য নিয়ে নতুন যাত্রায় পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি মির্জাপুরে শিশুকে জিম্মি করে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ কুবিতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে জাগ্রত চৌরঙ্গীর মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

নলছিটির সুগন্ধা নদীর তীরে এশিয়ার বৃহত্তম মোহাম্মদীয়া অয়েল এ্যান্ড রাইচ মিল

মাহবুব হাসান, নলছিটি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি জেলার নলছিটিতে সুগন্ধা নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল এক সময়ের এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম মোহাম্মদীয়া অয়েল এ্যান্ড রাইচ মিল। ব্রিটিশ আমলে পাকিস্তানি ব্যবসায়ী আমিন আনোয়ার নলছিটির কল বাড়ি এলাকায় কয়েক একর জমি ক্রয় করে এই মিল গড়ে তোলেন। স্থাপনার সময় মিলটি এশিয়ার বৃহত্তম হিসেবে খ্যাতি পায়।

মিলটির কারণে নলছিটি ও ঝালকাঠিতে বাণিজ্যের এক নতুন যুগ শুরু হয়। চাল, ডাল, সুপারি, লবণ, নারিকেল ও তেতুলের জন্য অঞ্চলটি বিখ্যাত হয়ে ওঠে। ভারতের কলকাতার বড় ব্যবসায়ীরা নলছিটিতে ব্যবসা সম্প্রসারণের সঙ্গে যুক্ত হন। এই কারণে নলছিটিকে তখন ‘দ্বিতীয় কলকাতা’ বলে অভিহিত করা হতো।

বৃটিশ শাসনামলে নলছিটিতে সদর দপ্তর স্থাপন এবং ১৮৬৫ সালে পৌরসভা ঘোষণা করা হয়। ভারতীয় হিন্দু, মগ ও চীনা ব্যবসায়ীরা নলছিটিতে আসা-যাওয়া করতেন, আর ষ্টীমার ঘাটের নির্মাণে বাণিজ্যিক সুবিধা আরও বৃদ্ধি পেত।

প্রবীণদের কথায়, তিন শতাধিক তৈলের ঘানি ও অটো রাইচ মিল চালু থাকাকালে নলছিটির কয়েক মাইল পর্যন্ত মিলের কম্পন অনুভূত হতো। মিলের হুইসেল ৫০ কিলোমিটার দূর থেকেও শোনা যেত।

স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক কারণে মিলটি তার পুরোনো জৌলুশ হারাতে থাকে। মূল মালিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব এবং সরকারের পাওনা পরিশোধে গড়িমসির কারণে অনেকেই মিলটি ত্যাগ করে চলে যান। বর্তমানে মিলটির অতীত গৌরব ইতিহাসের অংশ হিসেবে শুধু স্মৃতিতে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।

মিলটির ইতিহাস নলছিটির অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং সামাজিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সাক্ষী হিসেবে এখনও স্থান করে রেখেছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩