সাতক্ষীরায় খোলা ভোজ্যতেল বিক্রয় বন্ধের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গের ভূমিকা সংক্রান্ত এডভোকেসি সভা গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এর যৌথ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এডভোকেসি সভায় সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব।
মূখ্য উপস্থাপক ছিলেন, ন্যাশনাল হার্ড ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর কনসালটেন্ট এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুশতাক হাসান মুহা. ইফতিখার।
এডভোকেসি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল, জেলা সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি ডা. ইসরাত জাহান সুমনা, জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, নায়েবে আমীর নুরুল হুদা, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, জেলা ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক পারভীন আক্তার প্রমুখ।
এ ছাড়া জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক, ইমাম ও পুরোহিতসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, খোলা ভোজ্যতেল স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, এতে ভেজাল মেশানোর উচ্চ সম্ভাবনা থাকে এবং ভিটামিন ‘এ’ থাকে না বললেই চলে। ড্রামের খোলা তেল ব্যবহার করলে নন-ফুড গ্রেডেড প্লাস্টিকের বিষক্রিয়া, হৃদরোগ, কিডনি সমস্যা, রাতকানা ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। এই তেল থেকে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক ক্ষতি হয়। বর্তমানে অনেকেই সরিষার তেল খাওয়া শুরু করেছেন। কিন্তু তরকারিতে সরিষার তেল খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত সরিষার তেল সেবন হৃদপিণ্ডে চর্বি জমাতে পারে। যা দীর্ঘমেয়াদে হার্টের ক্ষতি করতে পারে। এর তীব্র ঝাঁঝালো উপাদান পরিপাকতন্ত্রে জ্বালাপোড়া, পেট ব্যথা বা ডায়রিয়ার কারণ হতে পারে।
শিশুদের কোমল ত্বকে অ্যালার্জি, রযাশ, জ্বালাপোড়া এমনকি ফোসকা সৃষ্টি করতে পারে। তুলনামূলকভাবে বোতলজাত সয়াবিন তেলে ক্ষতির পরিমাণ কম। যে কারণে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই আমাদের বোতলজাত বা প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল খেতে হবে। খোলা ভোজ্যতেল বর্জন করতে হবে।
সূত্রঃ বাসস



















