Monday , 16 February 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. আবহাওয়া
  8. ইউরোপ মহাদেশ
  9. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  10. এশিয়া মহাদেশ
  11. কৃষি
  12. ক্যাম্পাস
  13. ক্রিকেট
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম

জেনারেল এম এ জি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানী-এর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৪ সালের এই দিনে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে তাঁর মরদেহ দেশে আনা হলে সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজারসংলগ্ন কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দোয়া, আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী। ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর সামরিক জীবনের শুরু। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি দক্ষতার পরিচয় দেন এবং অল্প বয়সেই মেজর পদে উন্নীত হন। পরবর্তীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকার তাঁকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়। তাঁর নেতৃত্বে দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং সমন্বিত গেরিলা ও সম্মুখযুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করা হয়। এতে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং শত্রুপক্ষের ওপর ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি সম্ভব হয়।

সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে গৃহীত কৌশলের ভিত্তিতে মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা হামলা, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস এবং রসদ সরবরাহে আঘাত হানেন। তাঁর অনুমোদনেই পরিচালিত ঐতিহাসিক অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে পাকিস্তানি জাহাজে সফল আক্রমণ চালানো হয়।

স্বাধীনতার পর গঠিত সরকারে তিনি জাহাজ চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ ও বিমান চলাচল মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী পুনর্গঠনে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর প্রতিবাদে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ, ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন এবং ওসমানী জাদুঘর তাঁর স্মৃতি বহন করছে। এছাড়া ওসমানীনগর উপজেলা তাঁর নামানুসারে নামকরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৫ সালে তাঁকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে। মুক্তিযুদ্ধের এই সর্বাধিনায়কের প্রতি জাতির শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা আজও।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

পৌষের শুরুতে শীতের তীব্রতা, ফুটপাতে খরম কাপড় কিনতে ভিড়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বিজয় প্যারেডে সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন করবে না রাশিয়া

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা

কোরাম পূর্ণ না হওয়ায় জাবি সিনেট অধিবেশন শুরু হতে বিলম্ব

জয়মনিতে ধানের শীষের জমজমাট নির্বাচনী প্রচারণা

টানা ষষ্ঠবার শেরপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত নালিতাবাড়ী থানার ওসি সোহেল রানা

কুড়িগ্রামে দূর্গম চরাঞ্চলের খামারীর মাঝে বিনামূল্যে টিকা ও কৃমিনাশক ঔষধ বিতরণ

জৈন্তাপুরে লাল শাপলা বিলে কচুরিপানার দখল, হারাচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

আর্থিক খাতে অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করলেন বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট

ইসলামী সমাজকল্যাণ পরিষদের নতুন জমি পরিদর্শন করলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ