তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে জয়ের জন্য বাংলাদেশকে ২০০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। প্রথমে ব্যাট করে ওয়েসলি মাধভেরে ও ব্রাড ইভান্সের জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানের সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে। মাধভেরে ৭৫ ও ইভান্স ৫০ রান করেন। বাংলাদেশের শরিফুল ইসলাম ৪৪ রানে ৪ উইকেট নেন।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। বল হাতে বাংলাদেশকে দারুণ শুরু এনে দেন দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম।
ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে জিম্বাবুয়ের ওপেনার বেন কারানকে ২ রানে বোল্ড করেন শরিফুল। পরের ওভারের শুরুতে উইকেট শিকারে মাতেন তাসকিন। আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে ৬ রানে বিদায় দেন তাসকিন।
১৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনারের বিদায়ে চার নম্বরে ব্যাট হাতে নামেন ক্রেইগ আরভিন। শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ৫ রানে আউট হন তিনি।
২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। চতুর্থ উইকেটে ৮২ বলে ৫১ রানের জুটিতে শুরুর চাপ সামাল দেন ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলি মাধভেরে। এই জুটি ভেঙ্গে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাসকিন। ৬৭ বলে ২৫ রান করা কাইয়াকে নিজের দ্বিতীয় শিকার বানান তাসকিন।
পঞ্চম উইকেটে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক সিকান্দার রাজার সাথে ২৯ রানের জুটিতে দলের রান ১শ পার করেন মাধভেরে। দলীয় ১০৭ রানে বাংলাদেশ স্পিনার তানভীর ইসলামের শিকার হন রাজা। ১টি ছক্কায় ১১ রান করেন তিনি।
ক্রিজে আসা নতুন ব্যাটার ক্লাইভ মাদান্দেকে ১ রানে বিদায় করেন শরিফুল। ১০৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। এ অবস্থায় জুটি গড়ার চেষ্টা করেন মাধভেরে ও ব্রাড ইভান্স। দু’জনের ৪১ বলে ৪৩ রানের জুটিতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সপ্তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেন মাধভেরে। তবে ব্যক্তিগত ৭৫ রানে তানভীরের বলে বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজকে ক্যাচ দেন তিনি। ৭৪ বল খেলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন মাধভেরে।
দলীয় ১৫১ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে মাধভেরে ফেরার পর জিম্বাবুয়ের রানের চাকা সচল রাখেন ইভান্স। অষ্টম উইকেটে ওয়েলিংটন মাসাকাদজার সাথে ২০ ও নবম উইকেটে আর্নেস্ট মাসুকুকে নিয়ে ২৬ রান যোগ করেন ইভান্স।
৪১ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ইভান্স। ৪৮তম ওভারে দলীয় ১৯৭ রানে শরিফুলের বলে নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হবার আগে ৫টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৩ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
ইভান্স ফেরার পর ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ৪৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সফল বোলার শরিফুল। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন ও তানভির। ১ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।



















